অস্ত্রধারী দেহরক্ষীবেষ্টিত হয়ে চলত সাফাতের কুকর্ম

মে ১৫ ২০১৭, ০৯:২৯

দুই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ধর্ষণের নায়ক আপন জুয়েলার্সের মালিকের ছেলে সাফাত আহমেদ সবসময় সশস্ত্র দেহরক্ষী নিয়ে চলাফেরা করতেন। বনানীর রেইনট্রি আবাসিক হোটেলে দুই তরুণী ধর্ষণের সময়ও সাফাত অস্ত্রধারী দুই দেহরক্ষীর বেষ্টনীতে ছিলেন। সাফাতের কথায় রাজি না হওয়ায় ধর্ষিত দুই তরুণীকে শটগান উঁচিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছিলেন তারা। অন্যদিকে সাফাতের বেশিরভাগ অনৈতিক কাজের সঙ্গী ছিলেন নাঈম আশরাফ। গ্রেপ্তার এড়াতে নাইম আশরাফ ইতোমধ্যে দেশ ছেড়েছে বলে তথ্য পাচ্ছে পুলিশের তদন্তকারীরা।

কিছুদিন আগে নাঈম আশরাফ তার ইনস্টাগ্রামে একটি ছবি পোস্ট করেন। ছবিতে দেখা যায়, সাফাত আহমেদ ও নাঈম আশরাফ সানগ্লাস চোখে পোজ দিচ্ছেন। দুই পাশে দুটি শটগান হাতে দুই দেহরক্ষীও রয়েছেন অ্যাকশন মুডে। এ ছবি ইতোমধ্যে জব্দ করেছে পুলিশের তদন্তকারী সংস্থা। সাফাত

আহমেদ ও নাঈম আশরাফের নামে অস্ত্রের কোনো লাইসেন্স রয়েছে কিনা, তার খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। এ ব্যাপারে সাফাতকে গতকাল জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। আপন জুয়েলার্সের নামে কতটি অস্ত্রের লাইসেন্স রয়েছে, তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশের তদন্তকারীরা।

একাধিক সূত্রে জানা গেছে, সাফাত আহমেদ রাজধানীর এক স্থান থেকে আরেক স্থানে চলাচল করার সময় তার আগে-পিছে থাকত দেহরক্ষীদের গাড়ি। রাস্তায় কোথাও যানজটে আটকা পড়লে দেহরক্ষীরা শটগান হাতে নেমে রাস্তা যানজটমুক্ত করত। এ কাজ করতে গিয়ে সাফাতের দেহরক্ষীদের হাতে প্রায়ই মারধরের শিকার হতো অন্য গাড়ির চালক ও পথচারীরা। বেশিরভাগ সময়ই সাফাতের সঙ্গে থাকতেন নাঈম আশরাফ, যিনি মূলত সাফাতকে অনৈতিক কাজে পরিচালিত করতেন। বিনিময়ে সাফাতের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা নিতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

সূত্র আমাদের সময়

Facebook Comments

<a href=”http://barisallive24.com/wp-content/uploads/2017/05/infra-add.jpg” target=”_blank” rel=”noopener”><img src=”http://barisallive24.com/wp-content/uploads/2017/05/Hoopers1.jpg” width=”331″ height=”270″ /></a>