আত্মহত্যা নয়, হত্যা করা হয়েছে পলিটেকনিক ছাত্র সজিবকে!

আপডেট : May, 15, 2017, 6:25 pm

বরিশালের ছাত্র সজিবকে খুন করা হয়েছে!
বরিশাল : আত্মহত্যা নয়, হত্যা করা হয়েছে বরিশালে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ছাত্র আতিকুর রহমান সজিবকে। আজ সোমবার দুপুরে লাশের ময়না তদন্ত শেষে এমননি ইঙ্গিত দিয়েছে চিকিৎসকরা। এছাড়া পরিবারের দাবী সজিবকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আর পুলিশের সুরাতহাল রিপোর্টও উলেøখ করা হয়েছে মৃতদেহের বিভিন্ন স্থানে জখমের চিহৃ। নিহত সজিব পলিটেকনিকের চতুর্থ সেমিস্টারের (কম্পিউটার) ছাত্র এবং নগরীর কাউনিয়া বাশেরহাট এলাকার জাহাঙ্গীর মৃধার ছেলে। রোববার রাতে বরিশালের কীর্তনখোলা নদীর শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত সেতুর নিচ থেকে সজিবের লাশ উদ্ধার করে কোতয়ালী থানা পুলিশ। আজ সোমবার দুপুরে লাশের ময়না তদন্ত সম্পূন্ন হয় শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগে। দুপুরে লাশের ময়না তদন্ত শেষে চিকিৎসক ডাঃ সাগর রায় জানান, মৃতদেহের বিভিন্ন স্থানে জখমের চিহৃ পাওয়া গেছে। এটি হত্যকান্ড হতে পারে। তবে ভিসারা রিপোর্ট না পেয়ে এটি হত্যাকান্ড কিনা তা পুরোপুরি বলা যাবে না। এদিকে পুলিশের পÿ থেকে লাশের সুরাতহাল রিপোর্টে উলেøখ করা হয়েছে, মৃতদেহের দ্ইু পায়ের পাতা ও পিটে জখম। এছাড়া ডান হাত ভেঙ্গে যাওয়া ও ঘাড় বেকানো হয়েছে। এছাড়া শরীরীরের বিভিন্ন স্থানে ফুলা জখম রয়েছে। ময়না তদন্ত শেষে দুপুর

আড়াইটার দিকে লাশ পরিবারের নিকট হ¯Íান্তর করে পুলিশ। সজিবের মেজ ভাই রবিউল ইসলাম সুজন জানান, সজিব গত শনিবার বেলা ১১টায় কলেজে যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বের হয়ে নিঁখোজ হয়। বাসায় আসার নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পরও না আসায় তার মোবাইল নম্বরে কল দিলে তা বন্ধ পাওয়া যায়। এরপর নিকট আত্মীয়সহ সজিবের বন্ধুদের বাসায় খোঁজ নেয়া হয়। এছাড়া সজিব যে সকল স্থানে যেতো সেসব স্থানেও সন্ধান করা হয়। কিন্তু কোথাও সজিবের সন্ধান মেলেনি। এ ঘটনায় কাউনিয়া থানায় সাধারন ডায়েরী করেন সুজন। সুজন আরো জানান, রোববার বিভিন্ন মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন নগরীর দপদপিয়া ব্রিজের নিচে পিলারের নিরাপত্তা গার্ডের উপর একটি লাশ পড়ে রয়েছে। এরপর সেখানে গিয়ে দেখতে পান ওই লাশ তার ভাই সজিবের। তবে কি কারণে সজিবকে হত্যা করা হয়েছে তা সুজন বলতে পারেনি। সুজনের সাফ কথা সজিবের কোন শত্রæ ছিল না। সজিব হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছে বিষয়টি স্বীকার করে ওসি (তদন্ত) আতাউর রহমান জানান, লাশের ময়না তদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হ¯Íান্তর করা হয়েছে। ফরেনসিক রিপোর্ট হাতে পেলে যানা যাবে হত্যা না আত্মহত্যা। এর পাশাপাশি ঘটনার সাথে জড়িতদের সনাক্তে পুলিশ কাজ করছে।

Facebook Comments