ইলিশের আমদানি বাড়ার অপেক্ষায় ব্যবসায়ীরা

বরিশাল : ইলিশ মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি বাড়াতে পদ্মা মেঘনাসহ দক্ষিনের বিভিন্ন নদীতে ইলিশ মাছ শিকারের ওপর সেরকারি নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়ে গেছে। মার্চ ও এপ্রিল এই দুইমাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে রোববার দিবাগত রাত ১২ টার পর থেকেই নিশেধাজ্ঞার আওতাধীন অঞ্চলে জেলেরা মাছ শিকারে নদীতে নেমে পরেছেন। ১২ টার পর থেকে সোমবার দুপুর পর্যান্ত বেশিরভাগ জেলেই নদীতে নেমে গেছেন। যারা রাতে নেমেছেন তাদের মাছ সকাল থেকেই স্থানীয় বাজার বা অবতরণ কেন্দ্রে আসতে শুরু করেছে। যে চিত্র দুপুরে বরিশাল নগরের পোর্টরোডস্থ বেসরকারী মৎস অবতরণ কেন্দ্রটিতে ঘুরে দেখা গেছে। তবে মাছের পরিমান বাড়তে আরো ২/১ দিন সময় লাগবে, পাশাপাশি টানা বৃষ্টির জন্যও অপেক্ষা করতে হতে পারে বলে জানিয়েছেন পোর্টরোডের আড়তদাররা। পোর্টরোডের মৎস ব্যবসায়ী শাহাবিউদ্দিন জানান, প্রতিদিনের মতো সকালে বাজারে ইলিশসহ বিভিন্ন ধরনের মাছ এসেছে। তবে নিষেধাজ্ঞা শেষে যে ধরনের ইলিশ আশা করা হয়েছিলো তার মুখ দেখা যাচ্ছে না। দেশের দক্ষিনাঞ্চলের নদীর মাছের চাপ বাড়তে আরো ২/১ দিন সময় লাগবে, এমনকি

বৃষ্টি পর্যরন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে। তিনি বলেন, পহেলা বৈশাখের পর ধীরে ধীরে ইলিশের দাম কমছে, আর ভবিষ্যতে যতো বেশি ইলিশ ধরা পড়বে ততো মাছের দাম কমবে। পাইকারী বাজারে ৪শত গ্রাম ওজনের নীচের ইলিশ মনপ্রতি বিক্রি হেয়েছে ১৮ হাজার টাকায়, এর ওপরে ৫ শত গ্রাম পর্যান্ত ইলিশের মন রয়েছে ২৮ হাজার টাকা, ৫ থেকে ৯ শত গ্রাম ওজনের ইলিশের দাম মন প্রতি বিক্রি হয়েছে ৪২ হাজার টাকা, ১ কেজি ইলিশের মন ৫৬ হাজার এবং এর ওপরের ১২ শত গ্রাম ইলিশ মনপ্রতি বিক্রি হয়েছে ৭২ হাজার টাকায়। এদিকে মে দিবসেও পোর্টরোডের মাছের আড়ত, বরফকল কেন্দ্রিক যেমন ছিলো ক্রেতা বিক্রেতাদের উপস্থিতি, তেমনি শ্রমিক ও আড়তদাররাও পার করেছেন ব্যস্ত সময়। শ্রমিকরা জানায়, কাজ করলে আয় হয়, দিবস পালন করে নয়। আর মাছের বাজার পুরোপুরি চাঙা না হওয়ায় এখন কাজের চাপ কম এ অবস্থায় আয়ও কম। তাই ১ দিন আড়তে না আসলে পরের দিনে চলতে ফিরতে সমস্যা হয়ে যায়।

Facebook Comments

<a href=”http://barisallive24.com/wp-content/uploads/2017/05/infra-add.jpg” target=”_blank” rel=”noopener”><img src=”http://barisallive24.com/wp-content/uploads/2017/05/Hoopers1.jpg” width=”331″ height=”270″ /></a>