ঈদে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরতে সর্বোচ্চ সেবা পাবেন বরিশালগামী যাত্রীরা

আপডেট : June, 14, 2017, 3:00 pm

আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা দক্ষিণাঞ্চলের লাখো যাত্রী এ বছর পাচ্ছেন সর্বোচ্চ সুবিধা। যাত্রীদের নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করতে সরকারিভাবে ইতোমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। নদীবেষ্টিত দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের ভরসাস্থল নৌরুটে শতভাগ যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান বিভিন্ন নৌবন্দর পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেছেন।

ঈদে যাত্রীদের ভিড়ের কথা বিবেচনা করে ঢাকা-বরিশাল রুটের আকাশপথে বেসরকারি বিমান সংস্থা নিয়মিত ফ্লাইটের পাশাপাশি বাড়তি ফ্লাইটের ব্যবস্থা করেছে। অতীতের মতো এ বছর নেই ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে খানাখন্দ। পুরনো দিনের ব্যর্থতার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দেশকে এগিয়ে নেয়ার জন্য মন্ত্রী ও এমপিদের পরামর্শ দেয়ার পর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিরলস প্রচেষ্টায় গোটা দেশের ন্যায় বরিশালসহ পুরো দক্ষিণাঞ্চলবাসীর ভাগ্যের পরিবর্তন শুরু হওয়ায় এ বছর ঈদে ঘরেফেরা যাত্রীরা সর্বোচ্চ সেবা পাবেন। অতীতে এক সময় লোকসানের অজুহাতে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল আকাশপথে ঢাকা-বরিশাল রুটের বিমান যোগাযোগ। বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন এমপির সাহসী উদ্যোগে বর্তমানে একই রুটে সরকারি-বেসরকারি কোম্পানির বিমান লাভের মধ্য দিয়ে চলাচল করছে। এরই মধ্যে সব বিমানের অগ্রিম টিকেটও বিক্রি হয়ে গেছে। অপরদিকে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপির চেষ্টায় খানাখন্দে ভরা ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ফিরে এসেছে পূর্ণ যৌবন। নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, ঈদকে সামনে রেখে বিভিন্ন নৌবন্দর সফরের মধ্য দিয়ে আধুনিক নৌবন্দর থেকে শুরু করে গোটা দক্ষিণাঞ্চলে ফিরে এসেছে নৌরুটের জৌলুস। একে একে নৌরুটে যোগ হয়েছে সরকারি এবং বেসরকারি কোম্পানির বিলাসবহুল জাহাজ ও লঞ্চ।

ফলে এ বছর আর ঈদে ঘরে ফেরা দক্ষিণাঞ্চলের যাত্রীদের কেবল লঞ্চের ওপর ভরসা করে থাকতে হচ্ছে না। নৌরুট, আকাশ এবং সড়কপথ সচল থাকায় এবারই কেবল কোনো প্রকার ঝক্কিঝামেলা ছাড়াই নিরাপদ ও আরামদায়ক অবস্থায় ঈদে নাড়ির টানে শেকড়ের কাছে আসা দক্ষিণের লাখো যাত্রী যাতায়াত করতে যাচ্ছেন। লঞ্চের অগ্রিম টিকেট ১৩ জুন : আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঢাকা-বরিশাল নৌরুটে লঞ্চের অগ্রিম টিকেট বিক্রি আগামী ১৩ জুন শুরু হয়ে চলবে ১৫ জুন পর্যন্ত। আর ঈদের বিশেষ লঞ্চ সার্ভিস চালু হবে আগামী ২৩ জুন থেকে। ঢাকা থেকে বরিশাল আসা ও ঈদ শেষে বরিশাল থেকে ঢাকায় ফেরার উভয় টিকেট ওই তারিখে বিক্রি করা হবে। এবার বিশেষ সার্ভিসে মোট ১৬টি লঞ্চ যুক্ত হতে যাচ্ছে। এতে করে যাত্রী বিড়ম্বনা অনেকটা কমে আসবে বলে মনে করছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তারা।

বাংলাদেশ লঞ্চ মালিক সমিতির কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান জানান, মালিক সমিতির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ১৩ জুন থেকে যাত্রীদের মধ্যে অগ্রিম টিকেট বিক্রি করা হবে। ইতোমধ্যে গত ৬ জুন থেকে ৮ জুন পর্যন্ত কেবিনের টিকেট প্রাপ্তির জন্য আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে। ১৩ জুন থেকে ১৫ জুনের মধ্যে আবেদনকারীদের মধ্যে কেবিনের টিকেট বিক্রি করা হবে। বরিশাল যাত্রীবাহী লঞ্চ মালিক সমিতির কর্মকর্তা ও সুন্দরবন নেভিগেশনের পরিচালক শহিদুল ইসলাম পিন্টু বলেন, ঢাকা-বরিশাল নৌরুটে চলাচলকারী লঞ্চগুলোতে চাহিদার চেয়ে কেবিনের সংখ্যা অনেক কম। এ ছাড়া ঈদ ও কুরবানিতে কেবিনের সংখ্যার চেয়ে চাহিদা থাকে কয়েকশ গুণ বেশি। ফলে আবেদনকারী সবাইকে কেবিন দেয়া সম্ভব হয়না। তাই লটারির মাধ্যমে যাত্রীদের মধ্যে টিকেট বিতরণ করা হয়ে থাকে। তিনি আরো জানান, ঈদে সরকারি ছুটিতে ঢাকা থেকে আসা ও ফিরতি টিকেট ১৩ জুন বরিশালের কাউন্টার থেকে সংগ্রহ করা যাবে। যেসব লঞ্চের বরিশালে কাউন্টার নেই ওই সব লঞ্চের টিকেট সরাসরি লঞ্চ থেকে সংগ্রহ করতে হবে। সূত্রমতে, ঢাকা থেকে দক্ষিণাঞ্চলের ২৮টি নৌরুটের মধ্যে ঢাকা-বরিশাল নৌপথকে নিরাপদ হিসেবে ধরা হয়ে থাকে। তাই এ অঞ্চলের মানুষ লঞ্চেই যাতায়াত বেশি করায় ঈদ মৌসুমে যাত্রী চাপ বেশি থাকে। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ইতোমধ্যে বিলাসবহুল বৃহৎ আকারের লঞ্চ যুক্ত করা হয়েছে এ রুটের নৌবহরে। রয়েছে দিবা সার্ভিসও।

বিমানের স্পেশাল ফ্লাইট : ঢাকা-বরিশাল আকাশপথে বাড়ছে বিমান ফ্লাইটের সংখ্যা। পাশাপাশি রয়েছে স্পেশাল সার্ভিসও। ঈদের আগে ঢাকা থেকে বরিশালে আসা ঘরমুখো মানুষের জন্য এ ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঢাকা-বরিশাল রুটে আকাশপথে বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্স নিয়মিত ফ্লাইটের পাশাপাশি দুদিন বাড়তি ফ্লাইটের ব্যবস্থা করেছে বলে সংস্থার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। সংস্থার বরিশাল বিমানবন্দরে দায়িত্বরত কর্মকর্তা সাইফুর রহমান জানান, ঈদে ঘরে ফেরা মানুষের কথা ভেবে আগামী ২৩ ও ২৪ জুন আরো দুটি বাড়তি ফ্লাইট দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, সংস্থার ঢাকা-বরিশাল রুটে নিয়মিত ফ্লাইট রোব, মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার চলাচল করছে। যদি ঈদ ২৭ জুন হয় তাহলে ১৮, ২০, ২২ ও ২৫ জুন বাড়তি ফ্লাইট রাখা হয়েছে। দুটি বাড়তি ফ্লাইটের কারণে এ বছর বিমানে অধিক যাত্রী বরিশালে আসতে পারবেন। রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশের বরিশাল জেলার ইনচার্জ মেজবাহ উদ্দিন জানান, ঈদে বরিশালে বাড়তি ফ্লাইটের চাহিদা থাকার বিষয়টি হেড অফিসে জানানো হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঈদের আগে ঢাকা থেকে

বরিশালে আসার টিকেট ইতোমধ্যে বিক্রি হয়ে গেছে।

সড়ক পথে নেই খানাখন্দ : অন্যান্য বছরের ন্যায় এবার আর ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে নেই কোনো খানাখন্দ। বরং গত বছরের চেয়ে এবার মহাসড়ক আরো বর্ধিত করা হয়েছে। ফলে যাত্রীরা নিরাপদেই এবার সড়কপথে তাদের গন্তব্যে যাতায়াত করতে পারবেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এবারের ঈদে ঢাকা-বরিশাল সড়কপথে ঈগল, হানিফ, সাকুরা, গোল্ডেনলাইন, সোনারতরী, মেঘনাসহ প্রায় অর্ধশতাধিক পরিবহন যাত্রীসেবা প্রদান করবে। পাশাপাশি মাওয়া-বরিশাল রুটে রয়েছে বিআরটিসি এসি বাস সার্ভিসের সঙ্গে মাইক্রোবাসে যাতায়াতের সুবিধা।

ঈদ স্পেশাল সার্ভিসে প্রস্তুত বিআরটিসি বাস : ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বরিশাল থেকে যাত্রী পরিবহন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন বিআরটিসি। ঈদ উপলক্ষে এবার স্পেশাল সার্ভিস দেবে সংস্থাটি। এই সার্ভিস ঈদের তিন দিন আগে থেকে শুরু হয়ে চলবে ঈদের পরের পাঁচ দিন পর্যন্ত। সূত্রমতে, ওই সময়ে মাওয়া থেকে বরিশালসহ চারটি রুটে বাসগুলো চলাচল করবে। চারটি রুটের মধ্যে শুধু মাওয়া থেকে বরিশাল রুটে চলবে বাড়তি দুটি বাস। বরিশাল বিআরটিসি ডিপোর ট্রাফিক শাখা প্রধান ফরহাদ উদ্দিন জানান, বরিশাল থেকে রংপুরে দুটি, বরিশাল থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জে দুটি, বরিশাল থেকে রংপুর ও রংপুর থেকে দিনাজপুরে একটি বাস স্বাভাবিকের পাশাপাশি ঈদে স্পেশাল সার্ভিস দেবে। বরিশাল থেকে কাওড়াকান্দি রুটে ১২টি বাস চলাচল করলেও ঈদ স্পেশালে এ রুটে আরো দুটি বাস বাড়ানো হবে। তিনি জানান, স্পেশাল সার্ভিসে বিআরটিসি বাসের চলাচলের কোনো সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়নি। তবে ডাবল ট্রিপের পাশাপাশি যতক্ষণ যাত্রী থাকবে ততক্ষণ বাসগুলো চলবে। ঈদে যাত্রীদের বাড়তি চাপের কথা চিন্তা করে বরিশাল থেকে কাওড়াকান্দি রুটে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়। তাই স্পেশাল সার্ভিসে বরিশাল ডিপোর শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাসের মধ্যে বেশির ভাগই এ রুটে যুক্ত করা হচ্ছে। ডিপো সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল বিআরটিসি ডিপোর ৪৬টি বাস নিয়মিত ১৮টি রুটে চলাচল করে। যার মধ্যে ১৬টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। বিআরটিসি বরিশাল ডিপোর ব্যবস্থাপক জেড এম কামরুজ্জামান জানান, ঈদে যাত্রীদের বিআরটিসি বাস সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করবে। যাত্রী সেবায় এ ডিপোর সব বাসই প্রস্তুত রাখা হয়েছে। যেগুলোতে সামান্য ত্রুটি আছে সেগুলোও মেরামত করা হয়েছে। পাশাপাশি বরিশাল-মাওয়া রুটে বেসরকারী বাস সার্ভিস ও মাইক্রোবাস সার্ভিসেও যুক্ত করা হচ্ছে গাড়ি। রূপাতলী বাস টার্মিনাল থেকে বরিশালের বাকেরগঞ্জ ও পটুয়াখালী, বরগুনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও খুলনায় যাত্রীসেবা দিতে দেড়শতাধিক বাস প্রস্তুত রাখা হবে বলে জানিয়েছেন পটুয়াখালী মিনিবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কাওসার হোসেন শিপন। জেলা বাস মালিক গ্রুপের নেতৃবৃন্দরা জানান, নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে বরিশালের অভ্যন্তরীণ বানারীপাড়া, বাবুগঞ্জ, মুলাদী, হিজলা, উজিরপুর, আগৈলঝাড়া, পয়সারহাট, গৌরনদী, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুরসহ বরিশাল-মাওয়া রুটে যাত্রীসেবা দিতে প্রায় ৩০০ বাস প্রস্তুত রাখা হবে। অপরদিকে চরকাউয়া থেকেও বরিশালের অভ্যন্তরীণ সড়ক পথগুলোতে ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের সেবায় পর্যাপ্ত ব্যবস্থা হাতে গ্রহণ করা হয়েছে।

একসাথে এতো সার্ভিসের ফলে এবারে লঞ্চে যাত্রীর চাপ অনেকাংশে কম হওয়ার আশঙ্কা করে কেন্দ্রীয় লঞ্চ মালিক সমিতির সহসভাপতি ও সুন্দরবন নেভিগেশনের স্বত্ত্বাধিকারী সাইদুর রহমান রিন্টু বলেন, এ বছর অন্যসব সময়ের চেয়ে বেশি লঞ্চ থাকবে ঢাকা-বরিশাল নৌরুটে। বহরে থাকবে তিনটি কোম্পানীর সবচাইতে বড় ও আধুনিক বিলাশ বহুল নৌযান। যার কারনে যাত্রীর চাঁপ কমে যাবে। আবার দিবাসার্ভিস, সরকারি রকেট সার্ভিস, সড়কপথ ও আকাশপথের সুযোগ সুবিধা বাড়ার কারনে আগের মতো আর লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন করতে হবেনা। তার পরেও স্পেশাল সার্ভিস শুরুর পর থেকে ঈদেরদিন পর্যন্ত কয়েক লাখ যাত্রী বরিশালে আসবেন বলেও তিনি ধারনা করছেন। তিনি আরও বলেন, বেসরকারী কোম্পানীর লঞ্চের স্পেশাল সার্ভিসের সময় এখনও নির্ধারণ করা হয়নি। বেসরকারী যাত্রী পরিবহন সংস্থার (যাপ) নেতাদের সাথে বৈঠক করে আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই লঞ্চের স্পেশাল সার্ভিসের সিডিউল ঘোষণা করা হবে।

ঢাকা-বরিশাল নৌরুটে লঞ্চ রোটেশন প্রথা বাতিল কমিটির সদস্য কাজী এনায়েত হোসেন শিপলু বলেন, এবার দক্ষিণাঞ্চলের যাত্রীদের বাড়ি ফিরতে আগের মতো আর দূর্ভোগ পোহাতে হবে না। বরিশাল নৌ-বন্দর কর্মকর্তা এবং নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের উপ-পরিচালক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, যাত্রী সাধারনসহ সার্বিক নিরাপত্তার জন্য বরিশাল লঞ্চঘাট অর্থাৎ নদী বন্দরে জরুরী ভিত্তিতে ঈদের আগেই বসানো হয়েছে ১৬টি সিসি ক্যামেরা। পাশাপাশি স্পেশাল সার্ভিসের শুরু থেকে শেষপর্যন্ত তদারকির জন্য থাকবে দুইটি মেটাল ডিটেক্টর গেট। পাশাপাশি র‌্যাব-পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা বন্দর তদারকি ও যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়াও যাত্রীসাধারনের সার্বিক সহযোগীতার লক্ষে ও বন্দরের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে স্কাউট ও গার্লস গাইডের সদস্যরা নিয়োজিত থাকবেন। তিনি আরও জানান, এবারের ঈদ বর্ষাকাল হওয়ায় যাত্রীদের বসার জন্য টার্মিনাল ভবনের ভেতরে ও সামনে চেয়ার এবং প্যান্ডেল করে দেয়া হবে। পাশাপাশি ঈদের ১০ দিন আগ থেকে ১০ দিন পর পর্যন্ত নৌদুর্ঘটনা এড়াতে প্রতিবারের মতো এবারো যাত্রীবাহী নৌরুটে বাল্কহেড, ট্রলারসহ অবৈধ নৌযান চলাচল নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

 

 

 

সংবাদটি সংগৃহীত

Facebook Comments