এবারের ঈদে বরিশালে কাপড়ের দাম তূলনামূলক কম!

জুন ০৩ ২০১৭, ১৬:৫০

চলছে পবিত্র রমজান মাস। এ মাসের শেষে ঈদ‍ুল ফিতর। তবে এরইমধ্যে শুরু হয়েছে পোশাক ব্যবসায়ীদের ঈদ বাজারকে ঘিরে ব্যস্ততা। রমজানের আগ থেকেই প্রস্তুতি থাকে পোশাক-কসমেটিক্স সামগ্রীর বাজারের ব্যবসায়ীদের। এবারের ঈদকে ঘিরেও এর কোনো কমতি নেই।

ক্রেতাদের ভিড় শুরু হয়েছে বরিশালের থান-কাপড় ও থ্রি-পিসের বাজারে। বিক্রিও বেড়েছে নগরের চকবাজার, কাটপট্টিসহ উপজেলা সদরের মার্কেটগুলোতে।

বিভিন্ন দোকান ঘুরে জানা গেছে, ঈদকে সামনে রেখে ব্যবসায়ীরা ব্যাপকভাবে সরবরাহ করেছে থান-কাপড় ও থ্রি-পিস। যার মধ্যে দেশি কাপড়ের পাশাপাশি ভারত-পাকিস্তান ও চায়নার থান-কাপড় ও থ্রি-পিস রয়েছে।

এবারের বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে গুজরাটি, থাই-কটন, চায়না লন, অর্গেন্ডি, সামু  সিল্ক ও পাকিস্তানি কটনসহ বেশ কয়েকটি দেশি-বিদেশি আইটেমের থান কাপড় সরবরাহ করছেন ব্যবসায়ীরা। এসব কাপড় গজ প্রতি ৮শ’ থেকে ১২শ’ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা। এর পাশাপাশি সুতি কাপড়ের সমাহারও রয়েছে। যার মধ্যে বেশি আমদানি করা হয়েছে পাকিজা রয়েলও। এসব কাপড়ের দাম পড়বে গজ প্রতি ৮০/৯০ টাকা থেকে ৩৫০ টাকা।

রয়েছে দেশি-বিদেশি থ্রি-পিসের সরবরাহও। তাদের রয়েছে পলাক, আউরা, দিয়া, মাসাককালিসহ

নানা বাহারি নাম। এসব থ্রি-পিস সর্বনিম্ন সাড়ে ৩ হাজার টাকা   থেকে সর্বোচ্চ সাড়ে ১০ হাজার টাকায় পাওয়া যাবে।

বরিশালের চকবাজারের সৈয়দ ক্লথ স্টোরের মালিক সৈয়দ জামাল হোসেন নোমান জানান, কাটপট্টি ও চকবাজারের ২শ’ মতো কাপড় ও পোশাক ব্যবসায়ী রয়েছেন। যারা কোটি টাকার মালামাল আমদানি করেন। রমজানের শুরু থেকেই এসব দোকানে পোশাক আমদানি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে থান কাপড়ের দোকানগুলোতে ক্রেতারা ভিড় শুরু করেছেন। আর ২/১ দিন পরে ভিড় আরো বাড়বে বলে আশা করেন তিনি।

কাটপট্টি এলাকার ব্যবসায়ী হুমায়ুন কবির লিংকু জানান, যারা কাপড় কিংবা থ্রি-পিস কিনে বানান তারাই মূলত এ সময়টায় বাজারে ‍ ভিড় করেন। তবে এখনও অনেকের বেতন হয়নি। বেতনের পর এ ভিড় বেড়ে যাবে কয়েকগুণ।

নুশরাত নামে এক ক্রেতা জানান, এ মুহূর্তে ঈদ বাজারের কালেকশন দেখতেই মূলত তিনি মার্কেটে এসেছেন। ঘুরে দেখছেন পছন্দ হলে কিনেও নিতে পারেন। তবে ১০ রোজার পরে মূল কেনাকাটা করার চিন্তা ভাবনা রয়েছে।

এদিকে এ বছরে কাপড়ের দাম তূলনামূলক কম বলেই জানান লুনা নামে অপর এক ক্রেতা।

Facebook Comments