কন্যাশিশুকে পাশবিক নির্যাতন করে হত্যা!

জুলাই ২৩ ২০১৭, ২০:৩৩

পিরোজপুর প্রতিনিধিঃ মঠবাড়িয়ায় নিখোঁজের তিনদিন পর গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় উর্মি আক্তার (১০) এক কন্যাশিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

শিশুটির পরিবারের অভিযোগ, তাকে ধর্ষণ শেষে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

রোববার সকালে বাড়ির অদূরে একটি বাগানের ডোবা থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।

শিশুটি গত শুক্রবার বিকালে স্থানীয় প্রতিবেশী এক বান্ধবীর বাড়িতে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়।

নিহত উর্মি উপজেলার ৬নং মধ্য বড়মাছুয়া (জামতলা) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী ও স্থানীয় মঠবাড়িয়া কণ্ঠের নির্বাহী সম্পাদক সোহেল আমিনের ছোট মেয়ে।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ওই ছাত্রীকে নিখোঁজের দিনই সন্ধ্যায় পাশবিক নির্যাতন শেষে শ্বাসরোধে হত্যা করে বাগানের ডোবায় ফেলে রাখে দুর্বৃত্তরা।

থানা ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সোহেল আমিন তার প্রথম স্ত্রী সেলিনার সঙ্গে গত নয় বছর আগে বিচ্ছেদের পর দ্বিতীয় স্ত্রী ও এক সন্তান নিয়ে মঠবাড়িয়া

পৌর শহরে ভাড়া বাসায় থাকেন।

প্রথম পক্ষের দুই মেয়ে ৭ম শ্রেণির ছাত্রী শর্মি (১৩) ও উমি দাদী মেহেরুন আমিনের সঙ্গে উত্তর বড়মাছুয়া গ্রামে বাড়িতে থাকত।

গত শুক্রবার বিকালে উর্মি দাদির কাছে বলে প্রতিবেশী এক বান্ধবীর বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে নিখোঁজ হয়।

এ ঘটনায় তার বাবা সোহেল রোববার সকালে মঠবাড়িয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

এর কিছুক্ষণ পর প্রতিবেশী জাহাঙ্গীর আকনের স্ত্রী কুরসিয়া বাগান দিয়ে যাওয়ার পথে গলায় ফাঁস লাগানো লাশ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন।

মঠবাড়িয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার কাজী শাহ্ নেওয়াজ জানান, নিহতের পরনে সেলোয়ার না থাকায় প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে হত্যার আগে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে মঠবাড়িয়া থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানায় পুলিশ।

এদিকে পিরোজপুর জেলা পুলিশ সুপার মো. ওয়ালিদ হোসেন রোববার বিকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের জানান, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।

Facebook Comments

<a href=”http://barisallive24.com/wp-content/uploads/2017/05/infra-add.jpg” target=”_blank” rel=”noopener”><img src=”http://barisallive24.com/wp-content/uploads/2017/05/Hoopers1.jpg” width=”331″ height=”270″ /></a>