কলাপাড়ায় মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়াল কলেজ এবারও সেরা

আপডেট : July, 23, 2017, 10:16 pm

কলাপাড়া প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় এবারের এইচ.এস.সি’র ফলাফলে মুক্তিযোদ্ধা মোমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজ পাশের হারে সেরা অবস্থানে রয়েছে। বিগত পাচঁ বছরের ফলাফলে এ কলেজটি চারবার উপজেলায় প্রথম স্থান অধিকার করেছে। এছাড়াও এ কলেজটি বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে দু’বার মেধা তালিকায় তৃতীয় ও নবম স্থান অধিকার করেছিল। এ কলেজ থেকে এ বছর মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখা থেকে মোট ৯৪ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে ৮৯ জন উর্ত্তীন হয়েছে। এ কলেজ পাশের হার শতকরা ৯৪.৬৮। অপর দিকে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে খেপুপাড়া মোজাহার উদ্দিন বিশ্বাস ডিগ্রি কলেজ। এ কলেজের তিনটি বিভাগ থেকে মোট ৪৫৪ জন শিক্ষার্থী এবারের পরীক্ষায় অংশ নেয়। এদের মধ্যে ৪২১ জন শিক্ষার্থী উর্ত্তীন হয়েছে। এ কলেজের পাশের হার শতকরা ৯২.৭৩। এ কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে ৮ জন এবং মানবিক বিভাগে ৩ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। এ ছাড়া তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে কলাপাড়া মহিলা ডিগ্রি কলেজ। এ কলেজে তিনটি বিভাগ থেকে মোট ২৪৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে ২২৯ জন উর্ত্তীন হয়েছে। এ কলেজের পাশের হার শতকরা ৯১.৭৩। এ কলেজটি থেকে ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় দু’জন শিক্ষার্থী জি.পি.এ-৫ পেয়েছে। চতুর্থ

স্থানে রয়েছে আলহাজ্ব জালাল উদ্দিন কলেজ। এ কলেজে মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখা থেকে মোট ১৯১ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করেছে। উর্ত্তীন হয়েছে ১৭৩ জন। এ কলেজের পাশের হার ৯০.৫৮। পঞ্চম স্থানে রয়েছে কুয়াকাটা খানাবাদ ডিগ্রি কলেজ। এ কলেজের তিনিটি বিভাগ থেকে মোট ১৮৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে পাশ করেছে ১৬৫ জন। এ কলেজের পাশের হার শতকরা ৮৮.২৪। উপজেলার ৬ টি কলেজের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ অবস্থানে রয়েছে ধানখালী ডিগ্রি কলেজ। এ কলেজে মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখা থেকে বিভাগ ১২৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে পাশ করেছে ১০৮ জন। এ কলেজের পাশের হার শতকরা ৮৬.৪০।
কলাপাড়া পাশের হারে এগিয়ে মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়াল কলেজের অধ্যক্ষ কালিম উল্লাহ জানান, শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের ভাল সম্পর্ক এবং রাজনীতি মুক্ত কলেজ পরিচালনা করায় প্রতিবার কলেজটি ভাল ফলাফল করে আসছে।
অপর দিকে সবচেয়ে খারাপ ফলাফলকারী ধানখালী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো.বসির উদ্দিন জানান, তাদের কলেজের শিক্ষার্থীদের গ্রাম থেকে পৌর এলাকায় গিয়ে পরীক্ষা দিতে হচ্ছে। সে কারনে তাদের মধ্যে ভীতি কাজ করায় তাদের শিক্ষার্থীদের ফলাফল তুলনামূলক খারাপ হয়েছে বলে তিনি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।

Facebook Comments