গোপালগঞ্জ খুলনা মহাসড়কের বেহাল দশা

আগস্ট ০৯ ২০১৭, ১৮:২৭

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বরিশালের আগৈলঝাড়া-পয়সারহাট-গোপালগঞ্জ-খুলনা আঞ্চলিক মহাসড়কে ভাঙ্গা সড়কের উপর বড় গর্তের কারণে যান চলাচলে চরম বেহাল দশা। এই মহা সড়কের বিভিন্ন স্থানে সড়কের মধ্যে বড় বড় গর্ত হয়ে যানবাহন ব্যাহত হলেও সড়ক বিভাগ থেকে ভাঙ্গাস্থান বা গর্ত চিহ্নিত করনের কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়ে অহরহ ঘটছে দুর্ঘটনা। মহাসড়কের সরবাড়ী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন স্থানে সড়কের মাঝে বড় গর্ত হয়ে যান চলাচল দারুনভাবে ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয়রা গর্তের মধ্যে বাঁশ ও গাছের ডাল ভেঙ্গে গর্ত চিহ্নিত করলেও সড়ক বিভাগ কোন ব্যবস্থাই নেয়নি। বড় গর্তের ফলে ওই স্থান দিয়ে দিনে ও রাতে দূর পাল্লার পরিবহনসহ লোকাল গাড়ি ও হালকা যানবাহন চলাচলের সময় ঘটছে দূঘর্টনা। এছাড়াও এই মহাসড়কে অনেক আগেই পার্শ ভেঙ্গে ও খানা খন্দের সৃষ্টি হয়ে যান চলাচল ব্যাহত হলেও গত ঈদের সময় সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষ দ্রুত সংস্কারের কথা বললেও আসন্ন ঈদের আগেও কাজের কোন দরপত্র আহ্বান করেনি তারা। সড়কটিতে অন্তত কয়েক হাজার গর্তের সৃস্টি হয়েছে। বরিশাল সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৬ সালে গৌরনদী-আগৈলঝাড়া-গোপালগঞ্জ- খুলনা সড়কটি আঞ্চলিক মহাসড়কের উন্নিত করা হয়। জোট সরকার ক্ষমতায় এসে

‘রাজনৈতিক প্রকল্প’ দেখিয়ে তা বাতিল করে দেয়। এই প্রকল্পের বরাদ্দকৃত অর্থ নেয়া হয় অন্য প্রকল্পে। ফলে মহাসড়কের কাজ বন্ধ হয়ে যায়। মহাজোট সরকার পুনরায় ক্ষমতায় এসে ২০০৯ সালে মহাসড়কটি নির্মাণের জন্য পুনরায় দরপত্র আহ্বান করে। এডিপি’র অর্থায়নে ২১কোটি টাকা ব্যয়ে ৭টি কালভার্ট ও ১টি ব্রিজসহ আগৈলঝাড়া উপজেলা সদর থেকে পয়সারহাট পর্যন্ত ৭.৬ কিলোমিটার মহাসড়কের কার্যাদেশ দেয়া হয় ফরিদপুরের সেগুইন ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড নামের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে। প্রায় ৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ও ২৬ ফুট প্রস্থ সড়ক, চওড়ার উভয় পাশে ৩ ফুট করে ফুটপাত, সড়কে ৭টি কালভার্ট, ১টি ব্রিজ নির্মাণের জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ২০১০ সালের অক্টোবর মাসে কার্যাদেশ প্রদান করা হয়। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে দু-দফায় সময় বাড়িয়ে ২০১৪ সালে মহাসড়কের নির্মান কাজ শেষ করে। কংক্রিট ম্যাকাডম আর সঠিক ভাবে রোলারর ব্যবহার না করা ও নির্মানে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করায় দুই বছর ঘুরতেই ওই সড়কের বিভিন্ন স্থানে কাপেটিং উঠে যায়। এ ব্যাপারে বরিশাল সওজ উপ বিভাগী প্রকৌশলী দুলাল চন্দ্র প্রামানিক বলেন, সড়কের মাঝে গর্তের কথা শুনেছি। গাড়ী পাঠিয়ে দুই একদিনের মধ্যে ওই সকল গর্ত ভরাট করে যানবাহন চলাচলের উপযুক্ত করে দেয়া হবে।

Facebook Comments

<a href=”http://barisallive24.com/wp-content/uploads/2017/05/infra-add.jpg” target=”_blank” rel=”noopener”><img src=”http://barisallive24.com/wp-content/uploads/2017/05/Hoopers1.jpg” width=”331″ height=”270″ /></a>