ঘুর্ণিঝড় মোরাঃবরিশালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা

মে ২৯ ২০১৭, ১৫:৫৮

ঘূর্নিঝড় ‘মোরা’ মোকাবেলায় বরিশালসহ আশপাশের এলাকায় ৫ নম্বর বিপদ সংকেত জারি রয়েছে। সোমবার দুপুর ২ টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে দূর্যোগ প্রস্তুতি সভা করা হয়েছে।  সভায় উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া দুর্যোগ মোকাবেলায় অন্যান্য প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে সভায় জেলার সকল আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখার পাশাপাশি গবাদিপশুর জন্য নিরাপদ স্থানের ব্যবস্থা করা এবং প্রয়োজনে ঝুকিপূর্ণ উপকূলীয় এলাকা থেকে সাধারণ জনগণকে স্থানান্তর, বিশুদ্ধ পানি সংরক্ষণ, মেডিকেল টিম ও হাসপাতাল প্রস্তুত রাখার জন্য উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের সকল দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটিকে অনুরোধ জানানো হয়।

এছাড়া বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’র প্রভাবে বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করায় অভ্যন্তরীণ রুটে নৌযান চলাচল বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।

বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম-পরিচালক জয়নাল আবদিন  বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।তিনি বলেন, দুপুর ১২টা থেকে অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।ঘূর্ণিঝড়টির পরবর্তী অবস্থা বিবেচনা করে পদক্ষেপ নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

বিআইডব্লিউটিএ বরিশাল কার্যালয়ের নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের উপ-পরিচালক আজমল হুদা মিঠু জানান,

ঘূর্ণিঝড় মোরার কারণে আবহাওয়া অধিদফতর বরিশাল নদী বন্দরে ২ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলায় বেলা ২টার পর অভ্যন্তরীণ ১২টি নৌ-রুটে লঞ্চ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত এ নির্দেশনা বলবৎ থাকবে।

ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’ বাংলাদেশ উপকূলের ৫০০ কিলোমিটারের মধ্যে চলে আসায় চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদফতর। চট্টগ্রাম বন্দর ও বহির্নোঙরে পণ্য ওঠা-নামা বন্ধ করে দেয়া হয় ৭ নম্বর সতর্ক সংকেত জারির পর।

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়টি মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রাম উপকূল অতিক্রম করতে পারে বলে আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

আবহাওয়া বুলেটিনে জানানো হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’র প্রভাবে উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, বরগুনা, ভোলা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং এসব জেলার অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৪ থেকে ৫ ফুট বেশি উচ্চতায় জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।”

Facebook Comments

<a href=”http://barisallive24.com/wp-content/uploads/2017/05/infra-add.jpg” target=”_blank” rel=”noopener”><img src=”http://barisallive24.com/wp-content/uploads/2017/05/Hoopers1.jpg” width=”331″ height=”270″ /></a>