চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ইতিহাসে সেরা পাঁচ বোলিং ফিগার

মে ২৬ ২০১৭, ১৭:৫০

আগামী পহেলা জুন ইংল্যান্ডে শুরু হচ্ছে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির অষ্টম আসর। ১৯৯৮ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত হওয়া সাতটি আসর পেয়েছে অনেক রেকর্ড। সেইসব রেকর্ড থেকে চ্যাম্পিয়ন্স সেরা বোলিং ফিগারের ফ্ল্যাশব্যাক করা হলো।
শেন ও’কনর (নিউজিল্যান্ড): ৪৬ রানে ৫ উইকেট
২০০০ সালে কেনিয়ার নাইরোবিতে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দ্বিতীয় আসরে সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয় পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ড। ঐ ম্যাচে ৯ দশমিক ২ ওভারে ৪৬ রানে ৫ উইকেট নেন কিউই বাঁ-হাতি পেসার ও’কনর। যা ছিল আসরের সেরা বোলিং ফিগার ।
১৭৮ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারানোর পর পাকিস্তানের হাল ধরেন আব্দুর রাজ্জাক ও ওয়াসিম আকরাম। সপ্তম উইকেটে ৫৯ রান যোগও করে ফেলেন তারা। এমন অবস্থায় শেষ ২৫ বলে নিউজিল্যান্ডের সামনে বড় টার্গেট দেয়ার স্বপ্ন দেখতে শুরু করে পাকিস্তান। কিন্তু পাকিস্তানের সেই স্বপ্নে পানি ঢেলে দেন ও’কনর। রাজ্জাক-আকরামসহ লোয়ার-অর্ডারের আরও দুই উইকেট তুলে নিয়ে পাকিস্তানকে ২৫২ রানেই বেঁেধ দেন ও’কনর। শুরুতে পাকিস্তানের ওপেনার ইমরান নাজিরকে তুলে নিয়ে ম্যাচে নিজের উইকেটসংখ্যা ৫-এ উত্তীর্ণ করেন তিনি। তার বোলিং নৈপুণ্যে শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি ৪ উইকেটে জিতে নেয় নিউজিল্যান্ড।
অরবিন্দ ডি সিলভা (শ্রীলংকা): ১০ ওভারে ১৬ রানে ১ উইকেট
২০০২ সালের আসরে কলম্বোতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ১০ ওভারে ২ মেডেনসহ ১৬ রানে ১ উইকেট নেন শ্রীলংকার অফ-স্পিনার অরবিন্দ ডি সিলভা। শেষ পর্যন্ত ঐ বোলিং ফিগারের জন্যই ম্যাচ সেরা হন তিনি। আর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ইতিহাসে দ্বিতীয় সেরা ইকোনমি বোলার হিসেবে নিজের নামটি রেকর্ড বইয়ে লিখে রাখেন ডি সিলভা।
ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে ১৬২ রানেই গুটিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। পরবর্তীতে ৩ উইকেট হারিয়ে ৪০ ওভারেই জয় তুলে
ফাইনালে উঠে শ্রীলংকা। এরপর বৃষ্টির কারনে ফাইনাল ম্যাচটি পুরোপুরি শেষ না হওয়াতে ভারতের সাথে শিরোপা ভাগাভাগি করে নেয় লংকানরা।
পারভেজ মাহরুফ (শ্রীলংকা): ১৪ রানে ৬ উইকেট
ভারতে ২০০৬ আসরে মুম্বাইয়ে কোয়ালিফাইং রাউন্ডের শেষ ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজে বিপক্ষে ৯ ওভারে ২ মেডেন নিয়ে ১৪ রানে ৬ উইকেট নেন শ্রীলংকার পারভেজ মাহরুফ। এটি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ইতিহাসে সেরা বোলিং ফিগার। এমনকি তার ক্যারিয়ারের সেরা ফিগারও এটি।
মাহরুফের বিধ্বংসী বোলিং-এ ৮০ রানেই গুটিয়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পরবর্তীতে ৯ উইকেটে ম্যাচ জিতে শ্রীলংকা। কোয়ালিফাইং রাউন্ডে চ্যাম্পিয়ন হলেও, গ্রুপ পর্বের বাঁধা পরবর্তীতে আর পেরোতে পারেনি লংকানরা।
মাখায়া এনটিনি (দক্ষিণ আফ্রিকা): ২১ রানে ৫ উইকেট
২০০৬ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে মোহালিতে ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচে মুখোমুখি হয় পাকিস্তান ও দক্ষিণ আফ্রিকা। পাকিস্তানের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিং-এ ৮ উইকেটে ২১৩ রানের পুঁিজ পায় প্রোটিয়ারা।
জবাব দিতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকার পেসার মাখায়া এনটিনির তোপে পড়ে খাদের কিনারায় পড়ে যায় পাকিস্তান। এনটিনি প্রথম ৫ ওভারে ৮ রানে ৫ উইকেট শিকার করেন। তার পুরো বোলিং ফিগার ২১ রানে ৫ উইকেটের সুবাদে ৪৭ রানের মধ্যে ৮ উইকেট হারিয়ে বসে পাকিস্তান। শেষ পর্যন্ত ৮৯ রান করতে পারে পাকিস্তান। দলকে ১২৪ রানের বড় ব্যবধানে জয় এনে দেয়ায় ম্যাচ সেরা হন এনটিনি।
লাসিথ মালিঙ্গা (শ্রীলংকা): ৩৪ রানে ৪ উইকেট
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির গত আসরে কার্ডিফে ‘এ’ গ্রুপে নিউজিল্যান্ড ও শ্রীলংকার মধ্যকার ম্যাচটি ছিল লো-স্কোরিং। ফ্লাট-পিচে ১৩৮ রানেই অলআউট হয় লংকানরা। জয়ের জন্য মাত্র ১৩৯ রানের টার্গেট পেরিয়ে যেতে ৯ উইকেট হারাতে হয় নিউজিল্যান্ড। কিউইদের কর্ষ্টাজিত জয়ের স্বাদ দেন শ্রীলংকার পেসার লাসিথ মালিঙ্গা। ম্যাচে ৩৪ রানে ৪ উইকেট নেন তিনি।
Facebook Comments

<a href=”http://barisallive24.com/wp-content/uploads/2017/05/infra-add.jpg” target=”_blank” rel=”noopener”><img src=”http://barisallive24.com/wp-content/uploads/2017/05/Hoopers1.jpg” width=”331″ height=”270″ /></a>