তালতলীতে অজ্ঞাত রোগে ১১টি গরুর মৃত্যু

জুন ০১ ২০১৭, ২৩:০৪

আমতলী প্রতিনিধিঃ বরগুনার তালতরী উপজেলার লাউপাড়া গ্রামে ১৫ দিনে গ্রামে অজ্ঞাত রোগে হঠাৎ করে পরপর ১১ টি গরু মারা যায়। স্থানীরা ও ভুক্তভুগির সূত্রে জানা যায় গ্রামে ১৫ দিনে ১১টি গরু মারা যায় এতে এলাকায় ব্যাপক আতংক বিরাজ করছে। ভুক্তভুগি মোঃ বেলাল খান বলেন আমরা সরকারী ভাবে কোনো চিকিৎসা জনিত সহযোগিতা পাচ্ছিনা, উপজেলা প্রানী সম্পাদ বিভাগের কর্মকর্তা সঞ্জয় কুমার সিকদার,একএক সময়ে এসে বিভিন্ন রোগের কথা বলে কখন তক্কা আবার কখন বলে ভাব্লা রোগ আবার মাঠে গরু চড়াতে বারন করে। কিন্তু কোনো সুষ্ঠু সমাধান দেয়না এবং যে রোগের কথা বলে সেই সময় সেই রোগের ভেকসিন করে থাকি কিন্তুু কোনো লাভ হয় না, তাতে আমরা সাধারন মানুষ আতঙ্কের ভিতরে থাকি ।‘স্থানীয়রা সবাই বলে আমরা সাধারন মানুষ কই যামু আমাদের সহায় সম্বল সবই গেলো তাই আমরা এর সমাধান চাই, এই মরন ব্যধি রোগ বালাই থেকে আমরা মুক্তি পেতে চাই। যাদের এই ১৫ দিনে গরু মারা যায় তারা হলো মোঃ বেলাল

খান গরু ১টি দাম আনুমানিক ষাট হাজার টাকা, ফোরকান ফরাজী ২টি মূল্য ১৫০০০০টাকা, আজিজ ফরাজী ১টি মূল্য ৭০০০০টাকা,শাহিন ফরাজী ১টি মূল্য ৬০০০০টাকা,আমজেদ খান ১টি মূল্য ৬৫০০০টাকা, কালু হাং ১টি মূল্য ৫০০০০টাকা ,আলমগীর ১টি মূল্য ৭৮০০০টাকা, কালাম ডাঃ ১টি মূল্য ৮০০০০টাকা, কবির ৩টি ১৮০০০০টাকা, জাহাঙ্গীর খান ১টি ৫৬০০০টাকা ও আর দুটি দাম জানা হয়নি। উপজেলা প্রানী সম্পাদ বিভাগের কর্মকতা সঞ্জয় কুমার সিকদার জানায়, আমি খবর পেয়ে ঘটনা স্থানে যেয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেবার পরে আমার উর্দতন কর্মকর্তাদের বিষয়টা জানাই। আমতলী -তালতলী উপজেলার প্রানী সম্পাদ কর্মকর্তা ডাঃ সৈয়দ আলতাফ হোসেন বলেন আমরা প্রাথমিক ভাবে চিকিৎসা দিয়েছি কিšু‘ কোনো কাজ হয়না তাই আমি আমার উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে পরামর্শ নিয়ে, স্থানীয় ওই মাঠে গরু চড়াতে বারন করি, কারন মাঠের ঘাস পরিক্ষা করে তার পরে এই রোগ নির্নয় করা হবে। জেলা প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা ( ভারপ্রাপ্ত) ডাঃ মোস্তুিফজুর রহমান জানায় আমি বিষয়টা জানিনা ও আমাকে কেউ বলেনি আমি খোঁজ নিয়ে দেখি কি হয়েছে।

Facebook Comments