তালতলীতে কু-প্রস্তাবে রাজী না হওয়ায় দুই সন্তানের জননী কে পিটিয়ে জখম

জুন ০৮ ২০১৭, ২১:১৬

বরগুনা প্রতিনিধিঃ বরগুনা তালতলীতে মৃতু স্বামীর বড় ভাইয়ের কু-প্রস্তাবে রাজী না হওয়ার কারনে পিটিয়ে জখম করেছে দুই সন্তানের জননী এক গৃহবধুকে। এতে তার মাথায় ও শারিরের বিভিন্ন যায়গায় প্রচন্ড জখম হয়েছে। আহত গৃহবধূকে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে তালতলী উপজেলার বড়বগী ইউনিয়নের পাজরাভাংগা গ্রামে বুধবার সকাল ১০টার দিকে। প্রত্যক্ষদর্শী ও আহত গৃহবধুর পরিবারের সূত্রে জানা যায়, তালতলী উপজেলার তালুকদার পাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষক জামাল হোসেন এর সাথে পশ্চিম লালুপাড়া গ্রামের আব্দুল আজিজ খানের একমাত্র কন্যা আয়সার বিয়ে হয় গত কয়েক বছর পূর্বে। কিন্ত আয়সার স্বামী জামাল হোসেন গত ৬মাস পূর্বে অকাল মৃত্যু হয়। জামালের মৃতুর পর থেকেই জামালের বড় ভাই মো. মাসুম বিল্লাহর কু-নজর পরে আয়সার ওপর। সে বিভিন্ন সময় খারাপ প্রস্তাব দেয় আয়সাকে। গৃহবধূ আয়সা বিষয়টি তার শ্বাশূড়ি ও তার বাবা মাকে অবহিত করেন। আর মান সম্মানের ভয় আয়সা বেগম বাবার বাড়িতে কয়েক মাস কাটান। বুধবার সকালে আয়সা বেগম তার স্বামীর বাড়িতে গেলে আবারও কু-লালশা নিয়ে মাসুম বিল্লাহ্ আয়সার ঘরে ঢুকে। আয়সা ডাক চিৎকার দিলে মাসুম বিল্লাহ ক্ষিপ্ত হয়ে আয়সার শরিরের বিভিন্ন যায়গায় মারধর করে। এসময় মাসুম বিল্লাহর শশুর জয়নাল গাজী, তার চাচা শশুর জব্বার গাজী ও তার ছেলে নবী হোসেন মিলে আয়সাকে খুন করার

উদ্দেশ্যে শরিরের বিভিন্ন যায়গায় বেধরক পিটায়। এতে আয়সা জ্ঞান হাড়ালে তাকে তাৎক্ষনিক বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালের বেডে মূমূর্স আয়সা বেগম বলেন, আমার স্বামীর মৃত্যুর পর আমার ভাসুর মাসুম বিল্লাহ আমাকে বলে তোমার স্বামীতো মারা গেছে তোমার দুইটা মেয়ে সন্তান আছে তা নিয়ে তুমি আমার সাথে বিয়া বসো। বিয়ে না বসলে তোমার স্বামীর সকল সম্পত্তি থেকে তোমাকে বঞ্চিত করা হবে বলে আমাকে বিভিন্ন লোভ লালসা দেখায় ও আমার সাথে খারাপ কাজ করতে চায়। আমি এতে রাজী না হয়ে আমি বিষয়টি আমার শাশুড়িকে বলি সেও আমাকে একই কথা বলে। নাইলে আমার সন্তানদের নিয়ে নাকি আমার পথে পথে ঘুরতে হবে বলে আমাকে ভয় দেখায়। বুধবার সকালে আমার ঘরে ঢুকে মাসুম বিল্লাহ আমার ইজ্জত নস্ট করতে চায় আমি ডাক চিৎকার দিলে মাসুম বিল্লাহ বলে তোকে আমি জম্মের মতো স্বামীর বাড়ি থাকাচ্ছি বলে তার শশুর জয়নাল গাজীকে, চাচা শশুর জব্বার গাজী ও তার ছেলে নবী হোসেন মিলে আমাকে খুন করার জন্য মারধর করে। এর পর আমার জ্ঞান হাড়িয়ে যায় তারপর আমি আর কিছুই বলতে পারিনা বলে কেঁদে দেন আয়সা বেগম। আয়সার বাবা আব্দুল আজিজ খান তার মেয়েকে নির্যাতনের বিচার দাবী করেন। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্ততি চলছে বলে আব্দুল আজিজ খান জানান।

Facebook Comments

<a href=”http://barisallive24.com/wp-content/uploads/2017/05/infra-add.jpg” target=”_blank” rel=”noopener”><img src=”http://barisallive24.com/wp-content/uploads/2017/05/Hoopers1.jpg” width=”331″ height=”270″ /></a>