পাহাড়ধসে ছয় সেনা সদস্যসহ নিহত ৮০

আপডেট : June, 13, 2017, 10:02 pm

প্রবল বর্ষণে চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামসহ তিন জেলায় পাহাড়ধসে ছয় সেনা সদস্যসহ ৮০ জন নিহতের খবর পাওয়া গেছে।

এর মধ্যে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় ২১ জন এবং চন্দনাইশে ৪ জন, রাঙ্গামাটির সদরসহ কাপ্তাই, লংগদু ও কাউখালীতে ৪৯ জন এবং বান্দরবানের সদরে ৬ জন নিহত হয়েছেন।

নিহতদের মধ্যে উদ্ধার অভিযানে গিয়ে মারা যান দুই কর্মকর্তাসহ ছয় সেনা সদস্য। এসময় আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন।

তবে এখনও কয়েকজন মাটিচাপায় আটকে আছে বলে জানা গেছে। তাদের উদ্ধারে অভিযান চলছে।

পাহাড়ধসে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে।

রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি জানান, চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় পাহাড়ধসের ঘটনায় ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। ছয়জন নিখোঁজ রয়েছেন। এছাড়াও পানির স্রোতে ভেসে গিয়ে নিখোঁজ রয়েছেন আরও চারজন।

প্রবল বর্ষণের কারণে মঙ্গলবার ভোররাতে উপজেলার রাজানগর ও ইসলামপুর ইউনিয়নের চারটি স্থানে পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় উদ্ধারকারীরা নিহতদের লাশ উদ্ধার করেছে।

স্থানীয়রা জানায়, রাজানগর ইউনিয়নের বগাবিলী টাইক্যা ঘোনা এলাকায় পাহাড়ধসে কাঁচা বসতঘর চাপা পড়ে মো. হোসেনের ছেলে নজরুল ইসলাম (৪০), নজরুলের স্ত্রী আসমা আকতার বাচু (৩৫), ছেলে ননাইয়া (১৫) ও মেয়ে সাথী আকতার (৯) মারা যায়। একই ইউনিয়নের বালুখালী এলাকার মো. ইব্রাহিমের ছেলে মো. ইসমাইল (৪২), ইসমাইলের স্ত্রী মনিরা খাতুন (৩৭), মেয়ে ইশামনি (৮) ও ইভামনি (৪) মারা যায়।

ইসলামপুর ইউনিয়নে মইন্যার টেক এলাকায় মো. সেলিমের ছেলে মো. সুজন (৩৫), সুজনের স্ত্রী মুন্নী আকতার (২৫), বোন শাহনুর আকতার (২০) পঙ্কি আকতার (১৫) পালুমা বেগম (১০) মাটিচাপা পড়ে মারা যান। একই ইউনিয়নের মঘাছড়ি বড়বিল এলাকার মফিজুর রহমানের মেয়ে মুনমুন আকতার (২৫), জোৎসনা বেগম (১৫), ছেলে হিরু মিয়া (২০) ও মো. হানিফ (১০), মো. সিদ্দিকের স্ত্রী রিজিয়া বেগম (২৮), হেঞ্জু মিয়ার স্ত্রী শেফালী বেগম (৩৮), মো. হানিফের ছেলে মো. হোসেন (৩৫), বাচ্চু মিয়ার ছেলে মো. পারভেজ (৩০) পাহাড়ধসে মারা যান। এই এলাকায় পাহাড়ধসের ঘটনায় ছয়জন নিখোঁজ রয়েছেন।

এছাড়াও কর্নফুলি নদীর স্রোতে ইছাখালী জেলে পাড়ার রঞ্জিত দাশ (৩৫) নামের এক যুবক ভেসে গিয়ে নিখোঁজ রয়েছেন। ইছামতি নদী ও কুলকুরমাই নদীতে আরও তিনজন ভেসে গেছে বলে জানা গেছে।

টানা দুইদিনের বর্ষণে রাঙ্গুনিয়ায় পুরো এলাকা প্লাবিত হয়েছে। বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। এলাকার তিন হাজার পরিবার পানিবন্দি রয়েছে।

রাজা নগর ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার শামসুল আলম তালুকদার জানান, পাহাড়ধসের ঘটনা শুনে মাটিচাপা পড়া লোকদের উদ্ধার করতে লোক পাঠানো হয়েছে।

ইসলামপুর ইউপি চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন চৌধুরী মিল্টন বলেন, পাহাড়ধসে মানুষ মারা যাওয়ার খবর শুনে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাদেরকে উদ্ধার করি। বন্যার পানিতে সড়ক ডুবে যাওয়ায় মাটিচাপা পড়া লোকদের হাসপাতালে নেয়া সম্ভব হয়নি।

রাঙ্গুনিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, স্থানীয় উদ্ধারকারীরা পাহাড়ধসে নিহতের লাশ উদ্ধার করেছে। নিহতদের পরিবারকে আর্থিক অনুদানসহ ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ সহায়তা দেয়া হবে।

চন্দনাইশ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি জানান, মঙ্গলবার ভোর ৪টায় চন্দনাইশের দুর্গম এলাকা দোপাছড়ি ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের শামুকছড়িতে পাহাড় ধসে ১ শিশু এবং ছনবনিয়ায় ৩ জন নিহত হয়েছেন।

নিহতরা হলেন- শামুকছড়ির শিশু মাহিয়া(৩), ছনবনিয়ার ২নং ওয়ার্ডের উপজাতি এলাকার সিনসাও কেয়াংয়ের স্ত্রী মোকা ইয়ং কিয়াং (৫০), কেলাও অং কেয়াংয়ের কিশোরী কন্যা মেমো কেয়াং (১৩) ও ফেলাও কেয়াংয়ের শিশু কন্যা কেওচা কেয়াং (১০)।

এসময় আহত হয়েছেন ২ জন। তাদের বান্দরবান হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তারা হলেন- সানু কেয়াং (২১), শেলাও কেয়াং (২৭)।

জানা গেছে, রোববার থেকে ওই এলাকায় প্রবল বৃষ্টিপাত হয়েছে। তবে সোমবার রাত ২টার পর ভারী বৃষ্টি ও সঙ্গে বজ্রপাতসহ ঝড়ো হাওয়া হয়। এরপরই এই পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে।

প্রায় ২০/৩০টি উপজাতি পরিবার ওই এলাকায় পাহাড়ের পাদদেশে বাপ-দাদার আমল থেকে বসবাস করে আসছে।

বাকি পরিবারগুলো ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। তারা আতংকে বাড়ি-ঘর ছেড়ে অন্যত্র সরে গেছেন। স্থানীয় লোকজন স্বউদ্যোগে উদ্ধার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি ও কাউখালী প্রতিনিধি জানান, ভারি বর্ষণে পাহাড়ধসে মাটিচাপায় রাঙ্গামাটি শহরসহ বিভিন্ন এলাকায় সর্বশেষ পাওয়া তথ্যে ৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার বিকালে শহরের ভেদভেদী যুব উন্নয়ন অফিস এলাকা থেকে আরও ২ জনের লাশ উদ্ধার করে রাঙ্গামাটি সদর হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

তারা হলেন- মো. সোহরাব (১৩) ও রুনা (১৫)।

প্রশাসন, হাসপাতাল, স্থানীয় ও উদ্ধার অভিযান সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ভোর থেকে শহর জেলার বিভিন্ন স্থানে মানবিক বিপর্যয় ঘটতে থাকে।

খবর পেয়ে প্রশাসন, সেনাবাহিনী, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস এবং স্থানীয় লোকজন সকাল থেকে ঘটনাস্থল থেকে হতাহতদের উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেন।

দুপুর পর্যন্ত রাঙ্গামাটি সদর হাসপাতালে ১৪ জনের লাশ নেয়া হয় এবং বিকালে ভেদভেদী এলাকা থেকে ওই দুইজনের লাশ উদ্ধার করে রাঙ্গামাটি সদর হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

জেলার বিলাইছড়ি উপজেলায় পাহাড়ধসে মাটিচাপায় ২ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন সিভিল সার্জন ডা. সহীদ তালুকদার।

এছাড়া কাপ্তাইয়ের রাইখালীর কারিগর পাড়ায় ৪ জন এবং কাউখালী উপজেলা সর্বশেষ

২১ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে স্থানীয় সূত্র।

মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত শহরের ভেদভেদীর যুব উন্নয়ন অফিস এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে উদ্ধার তৎপরতা চলে। নিহতদের মধ্যে দুই কর্মকর্তাসহ সেনাবাহিনীর ৬ সদস্য রয়েছেন বলে জানা গেছে।

হাসপাতাল ও স্থানীয় একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রে পাওয়া তথ্যমতে, প্রবল বর্ষণে বাড়িঘরে পাহাড়ের মাটি চাপায় শহরসহ রাঙ্গামাটির বিভিন্ন জায়গা ধ্বংস্তূপে পরিণত হয়েছে।

সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, পাহাড়ধসে রাঙ্গামাটি শহরের রিজার্ভবাজার, ভেদভেদী, শিমুলতলী, মোনঘর, রাঙ্গামাটি ও মানিকছড়িসহ বিভিন্ন স্থানে ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এছাড়া কাউখালী উপজেলার বেতবুনিয়ায়, ঘাগড়া, ঘিলাছড়ি, কাশখালীসহ বিভিন্ন স্থানে ২১ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করেছেন স্থানীয়রা।

এছাড়াও অনেককে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে রাঙ্গামাটি সদর হাসপাতালসহ চট্টগ্রাম ও ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে মানিকছড়িতে রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম সড়কে পাহাড় থেকে ধসে পড়া মাটি অপসারণের সময় দুই কর্মকর্তাসহ ৬ সেনা সদস্যের মৃত্যু হয়েছে।

তারা হলেন- মেজর মাহফুজ, ক্যাপ্টেন তানভীর আহমেদ, সিপাহী আজিজ, শাহীন, ল্যান্স কর্পোরেল আজিজ, সিপাহী মামুন।

এছাড়া আরও বেশ কয়েকজনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে রাঙ্গামাটি এবং ঢাকায় ভর্তি করা হয়েছে।

সকাল ১১টার দিকে হতাহত সেনা সদস্যরা মানিকছড়িতে রাস্তার ওপর ধসে পড়া মাটি অপসারণে উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছিলেন। এসময় আকস্মিক পাশের একটি উচু পাহাড়ধসে মাটি চাপা পড়েন তারা।

দুপুরে যাদের লাশ রাঙ্গামাটি সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তারা হলেন- রুমা আক্তার (২৫), নুর আক্তার (৩), হাজেরা (৪০), সোনালি চাকমা (৩০), এক বছর বয়সী শিশু অমিয় কান্তি চাকমা, আইয়ুশ মল্লিক (২), চুমকি মল্লিক (২), লিটন মল্লিক (২৮), অজ্ঞাত (২২), মিন্টু ত্রিপুরা (৪৫), আবদুল আজিজ (৫৫), অজ্ঞাত (৩২), মিলি চাকমা (৫৫) ও ফেন্সি চাকমা (৪)।

এছাড়া কাউখালীর যাদের নাম পাওয়া গেছে তারা হলেন- ফাতেমা বেগম (৬০), মনির হোসেন (২৫), মো. ইসহাক (৩০), দবির হোসেন (৮৪), খোদেজা বেগম (৬৫), অজিদা খাতুন (৬৫), মংকাচিং মারমা (৫২), আশেমা মারমা (৩৭), শ্যামা মারমা (১২), ক্যাচাচিং মারমা (৭), কুলসুমা বেগম (৬০), বৈশাখী চাকমা (১০), লায়লা বেগম (২৮)।

এদিকে বিকালে উপজেলার কয়েক জায়গা থেকে আরও ৮ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

তাদের মধ্যে নাইপুর মারমা (৪০), সুবাস চাকমা (৪০) নাছিমা বেগমের (৬০) নাম পাওয়া গেছে। বাকি ৫ জনের নাম পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে কাপ্তাই রাইখালীর কারিগর পাড়ায় নিহত ৪ জনের তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেলেও তাৎক্ষণিক নাম পাওয়া যায়নি।

এছাড়া সিভিল সার্জন ডা. সহীদ তালুকদার বিলাইছড়িতে ২ জনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করলেও তাৎক্ষণিক তাদের নাম জানাতে পারেননি।

আগের দিন সোমবার রাঙ্গামাটি শহরের পুলিশ লাইন এলাকায় এক শিশু এবং কাপ্তাইয়ের নতুন বাজারে এক শিশু পাহাড়ের মাটি চাপায় মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

জেলা প্রশাসন থেকে শহরসহ জেলায় মোট ৩৫ জনের নিহতের তালিকা পাওয়া গেছে বলে জানান নেজারত ডেপুটি কালেক্টর তাপস দাশ।

বিশেষজ্ঞরা জানান, পাহাড়ে বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ জায়গায় অপরিকল্পিত বাড়িঘর নির্মাণ করে বসবাস করায় পাহাড়ধসের এ ধরনের মানবিক বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটেছে।

রাঙ্গামাটি পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী তাজুল ইসলাম বলেন, শহরসহ রাঙ্গামাটির আশপাশের বিভিন্ন জায়গায় পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছেন লোকজন। তাদেরকে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছে।

অপরিকল্পিতভাবে বসবাস করায় পাহাড়ধসে ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে। প্রতিরোধে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

এদিকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী লোকজনকে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে জেলা প্রশাসন থেকে মাইকিং করা হচ্ছে। এজন্য শহরসহ বিভিন্ন স্থানে ১৬ আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে।

এদিকে হতাহতদের দেখতে হাসপাতালে গেছেন রাঙ্গামাটির সংসদ সদস্য ঊষাতন তালুকদার, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা, জেলা প্রশাসক মো. মানজারুল মান্নানসহ প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা।

এছাড়া দুর্যোগ মোকাবেলায় মঙ্গলবার বিকালে জরুরি সভা করেছে জেলা প্রশাসন।

এদিকে সড়কের ওপর পাহাড়ধসে মাটি পড়ায় রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন রুটে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ফলে রাঙ্গামাটির ওইসব রুটে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

এছাড়া বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে ও খুঁটি উপড়ে পড়ায় বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে বিদ্যুৎ সংযোগ। ফলে অন্ধকারে ভুতুরে শহরে পরিণত হয়েছে গোটা রাঙ্গামাটি শহর ও আশপাশের এলাকা।

বান্দরবান প্রতিনিধি জানান, বান্দরবানে বিভিন্ন এলাকায় অতি বৃষ্টির কারণে পাহাড়ধসে শিশুসহ ছয়জন নিহত হয়েছে। এসময় আহত হয়েছেন আরও কমপক্ষে পাঁচজন।

মঙ্গলবার ভোররাত পৌনে ৪টার দিকে জেলার পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ড কালাঘাটা এলাকার ত্রিপুরা পাড়াসহ দুর্গম কয়েকটি এলাকায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতদের মধ্যে চার জনের নাম পাওয়া গেছে, তারা হলো- শহরের আগাপাড়ার একই পরিবারের শুভ বড়ুয়া (৮), মিঠু বড়ুয়া (৬), লতা বড়ুয়া (৫) ও কালাঘাটা কবরস্থান এলাকার রেবি ত্রিপুরা (১৮)।

এ ঘটনায় এখনও জাইল্লাপাড়ায় কামরুন্নাহার ও তার মেয়ে সুফিয়া (২০) নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা কাজ করছেন।

এছাড়া গুরুতর আহত অবস্থায় দুইজনকে উদ্ধার করে বান্দরবান সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এরা হলেন- পসান ত্রিপুরা ও বীর বাহাদুর ত্রিপুরা।

সদর থানার ওসি মো. রফিক উল্লাহ এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

Facebook Comments