প্রকৃতির সাথে মিশে একাকার মিয়া বাড়ির মসজিদ

এপ্রিল ২৫ ২০১৭, ০৯:২৮

ধান-নদী-খাল এই তিনে বরিশাল। কীর্তনখোলা নদীর তীরে অবস্থিত ধান-নদী খালের অপূর্ব সমাহার বরিশাল। বরিশাল দক্ষিণ বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা এবং বরিশাল বিভাগের সদর দপ্তর। দেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের তীর ঘেঁষে গঙ্গা, মেঘনা ও ব্রহ্মপুত্র পলি জমে সৃষ্ট কয়েকটি দ্বীপ বরিশাল। এ অঞ্চল বা এর অংশ বিশেষ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সময়ে পরিচিত ছিল।

বরিশালে রয়েছে বেশ কিছু ঐতিহাসিক নিদর্শন/নির্মান। এর মধ্যে অন্যতম মিয়া বাড়ির মসজিদ। মুঘল আমলে নির্মিত বাংলাদেশের একটি প্রাচীন স্থাপনা কড়াপুর মিয়া বাড়ি মসজিদ। এটি বরিশাল সদরের(বর্তমান বিমান বন্দর থানা) কড়াপুরে অবস্থিত।দোতলা এই মসজিদের নিচে ছয়টি দরজা, দোতলায় তিনটি দরজা, তিনটি গম্বুজ, ৮টি বড় ও ১২টি ছোট মিনার রয়েছে। বরিশাল উপজেলা নবগ্রাম রোড উত্তর কড়াপুর মিয়াবাড়ী গ্রামে এই মসজিদটি অবস্থিত।

এই মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা হায়াত মাহমুদ ইংরেজ শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করার কারণে প্রিন্স অফ ওয়েলস দ্বীপে নির্বাসিত হন এবং তাঁর বুর্জুগ উমেদপুরের জমিদারিও কেড়ে নেয়া হয়।

মসজিদের সামনে রয়েছে অনেক একর নিয়ে একটি দিঘি। যা মন কেরে নেয় পর্যটকদের।

উঁচু বেসম্যাণ্টের উপর এই কড়াপুর মিয়াবাড়ি মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছে। নীচতলায় বেসম্যাণ্টের অভ্যন্তরে কয়েকটি কক্ষ রয়েছে যেগুলো মসজিদের নিকটে অবস্থিত মাদ্রাসার ছাত্রদের থাকার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।মসজিদে প্রবেশ করার জন্য

দোতলায় একটি প্রস্তুত সিঁড়িও রয়েছে।

আয়াতক্ষেত্রাকার এই মসজিদটির উপরিভাগে তিনটি ছোট আকারের গম্বুজ রয়েছে যেগুলোর মধ্যে মাঝখানের গম্বুজটি অন্য দুটি গম্বুজের চেয়ে আকারে কিছুটা বড়। কড়াপুর মিয়াবাড়ি মসজিদের সামনের দেয়ালে চারটি মিনার এবং পেছনের দেয়ালে চারটি মিনার সমেত মোট আটটি মিনার রয়েছে। দীর্ঘ ষোল বছর পর দেশে ফিরে তিনি দু’টি দীঘি এবং দোতলা এই মসজিদটি নির্মাণ করেন। মসজিদটির স্থাপত্যরীতিতে পুরান ঢাকায় অবস্থিত শায়েস্তা খান নির্মিত কারতলব খান মসজিদের অনুকরণ দৃশ্যমান।। মনে করা হয়ে থাকে ১৮শ শতকে এই মসজিদটি নির্মাণ করা হয়।

মসজিদের সামনে রয়েছে অনেক একর নিয়ে একটি দিঘি। যা মন কেরে নেয় পর্যটকদের।

উঁচু বেসম্যাণ্টের উপর এই কড়াপুর মিয়াবাড়ি মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছে। নীচতলায় বেসম্যাণ্টের অভ্যন্তরে কয়েকটি কক্ষ রয়েছে যেগুলো মসজিদের নিকটে অবস্থিত মাদ্রাসার ছাত্রদের থাকার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।মসজিদে প্রবেশ করার জন্য দোতলায় একটি প্রস্তুত সিঁড়িও রয়েছে।

আয়াতক্ষেত্রাকার এই মসজিদটির উপরিভাগে তিনটি ছোট আকারের গম্বুজ রয়েছে যেগুলোর মধ্যে মাঝখানের গম্বুজটি অন্য দুটি গম্বুজের চেয়ে আকারে কিছুটা বড়। কড়াপুর মিয়াবাড়ি মসজিদের সামনের দেয়ালে চারটি মিনার এবং পেছনের দেয়ালে চারটি মিনার সমেত মোট আটটি মিনার রয়েছে।

নদী, সড়ক কিংবা আকাশ পথে আপনি ঘুরে আসতে পারেন ঐতিহাসিক দৃষ্টিনন্দন এই মসজিদটি।

Facebook Comments