বকেয়া বিল পরিশোধ না করায়, বরিশাল স্টেডিয়ামে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন

মে ২১ ২০১৭, ০৯:৫৩

১০ বছরের বকেয়া বিল পরিশোধ না করায় বরিশাল জেলার একমাত্র স্টেডিয়ামের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।

বিদ্যুৎ বিলের বকেয়া প্রায় ২২ লাখ টাকা পরিশোধ না করতে পারায় গত সপ্তাহে এমনটা করতে বাধ্য হয়েছে বলে দাবি করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

এদিকে স্টেডিয়ামে খেলতে আসা খেলোয়াড়রা প্রচন্ড তাবদাহের মধ্যে বসতে পারছেনা ড্রেসিংরুমে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় স্টেডিয়াম কতৃপক্ষ পারছেনা পানি সরবরাহ করতে।

পানি সুন্যতা নিয়ে দিনের বেলা প্রাকৃতিক বাতাশের উপর ভর করে সেখানে প্রাকটিস করে যাচ্ছে বরিশালের খেলোয়াড়রা।

রাতের বেলা পুরো স্টেডিয়াম এলাকা জুরে তৈরি হয় ভুতুরে পরিবেশের। স্টেডিয়ামে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নর পাশাপাশি বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের আওতাধিন সেখানকার সড়ক বাড়ির সংযোগও বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। এতে সন্ধার পর থেকে অন্ধকার নেমে আসলে সেখানে আনাগোনা হয় বহিরাগতদের। এবস বহিরাগতরা সেখানে বসে বিভিন্ন নেশাজাত দ্রব্য সেবনসহ বিভিন্ন অপকর্ম করে যাচ্ছে।

জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব নুরুল আলম নুরু জানান, ১ বছর আগে দায়িত্ব নেয়ার পরই দেখতে পান দীর্ঘদিনের বকেয়া বিদ্যুৎ বিল জমে প্রায় ২২ লাখ টাকার বেশি পাওনা হয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। অর্থ বরাদ্দ না পাওয়ায় বকেয়া বিদ্যুৎ বিল দিতে পারেনি তারা। এতে গত

সপ্তাহে জেলা ক্রীড়া সংস্থার নামে থাকা সংযোগ সহ স্টেডিয়ামের ভেতরে বিসিসির সংযোগও বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়।

তিনি বলেন, আগামী জুনে বকেয়া পরিশোধের জন্য কিছু অর্থ বরাদ্দ পাওয়া যেতে পারে। তবে এখন বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে আলোচনা করে সংযোগ পাওয়ার চেষ্টা চলছে।

বিগত সময়ে বিল পরিশোধের বিষয়ে যতœবান হলে এমনটা হতো না বলে দাবি করেছে স্টেডিয়ামে প্রাকটিস করতে আসা খেলোয়াররা। তারা জানায়, প্রচন্ড গরমের কারনে খেলার পর ড্রেসিংরুমে বসতে পারছেন তারা। পাশাপাশি বিদ্যুতের অভাবে পানির পাম্প চলেনা। ট্যাংকিতেও পানি ওঠে না। ফলে স্টেডিয়ামে খাওয়ার পানি থেকে টয়লেটে যাওয়ার পানির ব্যবস্থা হচ্ছে না।

পাশাপাশি কক্ষগুলোর ভেতরে আলো সল্পতার কারনে অফিসিয়াল কার‌্যক্রমও ব্যহত হচ্ছে।

ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী (ওজোপাডিকো) র বরিশাল বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. তরিকুল ইসলাম জানান, জেলা ক্রীড়া সংস্থার নামে নেয়া বরিশাল স্টেডিয়ামের বিদ্যুৎ সংযোগের অনুকুলে বকেয়া হয়েছে ২২ লক্ষ টাকার মতো।

১০ বছরের বেশী সময় ধরে বিল পরিশোধ না করায় বারবার তাগাদা দেয়া হতো। তাতে কোন লাভ না হওয়ায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন করা হয়েছে। পাশাপাশি সিটি কর্পোরেশনের বকেয়া থাকায় সড়কবাতিগুলোর সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।

Facebook Comments

<a href=”http://barisallive24.com/wp-content/uploads/2017/05/infra-add.jpg” target=”_blank” rel=”noopener”><img src=”http://barisallive24.com/wp-content/uploads/2017/05/Hoopers1.jpg” width=”331″ height=”270″ /></a>