ববিতে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ

আপডেট : June, 3, 2017, 10:20 am

বরিশাল : ইফতার আয়োজনকে কেন্দ্র করে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় কমপক্ষে ৫ জন আহত হওয়া ও বঙ্গবন্ধু হলে ভাংচুর চালানোর খবর পাওয়া গেছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় এক ইফতার আয়োজনকে কেন্দ্র করে গতকাল রাত ১০ টা থেকে দফায় দফায় উত্তেজনা, হামলা ও মারামারির এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র আল আমিন, ক্যামেস্ট্রি বিভাগের এনামুল এবং মার্কেটিং বিভাগের সাকিব নামের তিনজনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া আইন বিভাগের ছাত্র নাঈম উদ্দিন মিষ্ঠু নামে আহত আরো এক ছাত্রর নাম জানাগেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারন শিক্ষার্থীদের সূত্রে জানাগেছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস সংলগ্ন হাবিব হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টে নাঈম হোসেন ইমরান এর নেতৃত্বাধীন ছাত্রলীগের একাংশ ইফতার পার্টির আয়োজন করে। সম্প্রতি স্থানীয়দের সাথে বাধা সংঘর্ষের ঘটনায় ক্যাম্পাস সংলগ্ন দোকানপাটে ইফতারের এ আয়োজন বর্জন করে ছাত্রলীগের শাওন ও রুজবেল অনুসারী অপর দুই গ্রুপ। এ নিয়ে রাতে শাওন ও রুজবেল গ্রুপ এক হয়ে ইমরান হোসেন নাঈম

গ্রুপের বিরুদ্ধে ক্যাম্পাসে অবস্থান নিলে নাঈম গ্রুপও ক্যাম্পাসে পাল্টা অবস্থান নেয়। এ নিয়ে ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে এবং এক পর্যায়ে হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ফাঁড়ি ও বন্দর থানা পুলিশ এবং শিক্ষক নেতারা ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনার পাশাপাশি দুই গ্রুপকে হোস্টেলে পাঠিয়ে দেয়। এ বিষয়ে ইমরান হোসেন নাঈম বলেন, ইফতার পার্টি নিয়ে একটু ঝামেলা হয়েছে। আমাদের কয়েকজন ছেলেকে মারধর করেছে। যাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।তবে অপর পক্ষের অনুসারী জানিয়েছে, ইফতার পার্টির আয়োজনকে কেন্দ্র করে এই ঘটনা রাতে হল পর্যন্ত গড়ায়। নাঈম এর অনুসারীরা ছাত্রাবাসের মধ্যে আল আমিন নামের এক ছাত্রকে পিটিয়ে আহত ছাড়াও কয়েকটি কক্ষ ভাংচুর করেছে। এ বিষয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ এসআই মিজানুর রহমান জানান, ইফতার পার্টির আয়োজনকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে কয়েকজন আহত হয়েছে বলে শুনেছি। তবে আমাদের ভেতরে প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি। তাই ক্যাম্পাসের সামনে অবস্থান নিয়েছি। কর্মকর্তারা শিক্ষক এবং ছাত্র নেতাদের সাথে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনা হচ্ছে।

Facebook Comments