বরিশালে তাপপ্রবাহ থাকবে আরও চার দিন!

মে ২১ ২০১৭, ১৫:৩১

দেশের বিভিন্ন এলাকার উপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আগামী দুই একদিনে তাপমাত্রা বেড়ে তার তীব্রতা আরও বাড়তে পারে। বিদ্যমান অবস্থা চার দিন বিরাজ করতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আবহাওয়া অফিসের তথ্যানুযায়ী, রাজশাহী, পাবনা, চাঁদপুর, নোয়াখালীর মাইজদী ও বরিশাল অঞ্চলসহ ঢাকা এবং খুলনা বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।

আবহাওয়া অফিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ শাহিনুল ইসলাম বলেন, বিদ্যমান তাপপ্রবাহ আরও আরও চার দিন চলবে। এতে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়ারও সম্ভাবনা রয়েছে।

আগামী দু-তিন দিনের মধ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই জানিয়ে তিনি বলেন, ২৬ মে-র দিকে বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া মে মাসে তেমন বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। তবে জুন মাসে বেশি বৃষ্টিপাত হবে বাংলাদেশে। ঋতুচক্রে এপ্রিল মাস সব থেকে উষ্ণতম জানিয়ে এই আবহাওয়াবিদ বলেন, সেই গরম মে মাসেও অব্যাহত রয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, ৩৬-৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাকে মৃদু, ৩৮ এর চেয়ে বেশি থেকে ৪০ ডিগ্রি পর্যন্ত মাঝারি এবং ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের চেয়ে বেশি তাপমাত্রাকে তীব্র তাপপ্রবাহ বলা হয়।

গত ২৪ ঘণ্টায়

ঢাকায় সর্বোচ্চ ৩৬.২, ময়মনসিংহে ৩৫.২, চট্টগ্রামে ৩৪.৭, সিলেটে ৩২.৩, রাজশাহীতে ৩৭, রংপুরে ৩৪, খুলনায় ৩৭.৭ এবং বরিশালে ৩৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। আর সব থেকে বেশি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে যশোরে ৩৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

তবে এ সময়ে দেশের এ তাপমাত্রাকে স্বাভাবিক বলে জানান আবহাওয়াবিদ শাহিনুল ইসলাম। সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৬৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে, যা উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস বলছে, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের দুই এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবতির্ত থাকতে পারে বলে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।

পরবর্তী ৭২ ঘণ্টা বা তিন দিনে আবহাওয়ার অবস্থায় উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন নেই বলেও জানায় আবহাওয়া অফিস।

এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় ময়মনসিংহ, সিলেট, নেত্রকোনা, শ্রীমঙ্গল, রংপুর, সৈয়দপুর, তেতুলিয়ায় বৃষ্টিপাত হয়েছে।

Facebook Comments