বরিশালে ৪র্থ শ্রেণির ছাত্রকে টেটাবিদ্ধ করে গাছের সাথে বেঁধে নির্যাতন,গ্রেপ্তার-১

মার্চ ১৮ ২০১৭, ২১:৪৩

উজিরপুর প্রতিনিধিঃউজিরপুর উপজেলার কুড়ালিয়া গ্রামে সখের বসে নৌকায় উঠার অপরাধে চতুর্থ শ্রেনির এক ছাত্রকে টেটাবিদ্ধ করেছে স্থানীয় নৌকার মালিক। এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে উজিরপুর মডেল থানায় একটি মামলা দায়েরর পর আজ দুপুরে এসআই লুৎফুর রহমান নৌকার মালিক বিশ্বনাথ হালদারকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসেন। স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ জানান, উজিরপুর উপজেলার সাতলা ইউনিয়নের কুড়ালিয়া গ্রামের সুরেশ বাড়ৈর পুত্র ও কুড়ালিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র তরুন বাড়ৈ (১১) ও তার সহপাঠি অলক বাড়ৈ কুড়ালিয়া গ্রামে বিশ্বনাথ হালদারের নৌকায় সখ করে উঠে পড়েন। বিষয়টি দেখতে পেয়ে বিশ্বনাথ হালদার ক্ষিপ্ত হন। গত মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে বিশ্বনাথ একটি টেটা নিয়ে তরুন ও তার সহপাঠী অলককে ধাওয়া করে। এসময় অলক পালিয়ে গেলেও বিশ্বনাথ হালদার স্কুল ছাত্র তরুনকে টেটাদিয়ে কুপিয়ে গুরুতরভাবে জখম করে। পরে তরুনকে নিজ বাড়িতে নিয়ে গাছের সাথে বেঁধে রেখে নির্যাতন করে এবং কাউকে না

বলার জন্য হুমকী দিয়ে ছেড়ে দেয়। অবস্থার আরো অবনতি হলে আহতের দরিদ্র পিতা বৃহস্পতিবার আগৈলঝাড়া উপজেলা স্ব্স্থ্যা কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। আহত ছাত্রটি এখন হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। আহত তরুনের বাবা সুরেশ বাড়ৈ জানান, আমার ছেলেকে কুপিয়ে গাছের সাথে বেঁধে রেখে মেরে ফেলার ভয়ভিতি দেখায়। ভয়ে আমার ছেলে ঘটনাটি কাউকে বলেনি একদিন পড়ে ক্ষতস্থান থেকে পুজ ও রক্ত বের হতে শুরু করলে এক পর্যায়ে আহত তরুন ঘটনার সত্য কথা প্রকার করেন, পরে আমরা হাসপাতালে ভর্তি করি। হাসপাতালে গিয়ে ওই হামলাকারী বিশ্বনাথ আমাদেরকেও ভয়ভিতি ও হুমকী দেয়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় শুক্রবার রাতে বিশ্বনাথ হালদারসহ তিন জনকে আসামি করে উজিরপুর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। উজিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম সরোয়ার জানান, শিশু স্কুল ছাত্রকে টেটা বিদ্ধ করার অপরাধে নৌকার মালিক বিশ্ব নাথ বাড়ৈকে গতকাল গতকাল সকালে কুড়লিয়া বাজার থেকে গ্রেপ্ততার করা হয়।

Facebook Comments

<a href=”http://barisallive24.com/wp-content/uploads/2017/05/infra-add.jpg” target=”_blank” rel=”noopener”><img src=”http://barisallive24.com/wp-content/uploads/2017/05/Hoopers1.jpg” width=”331″ height=”270″ /></a>