ভোলায় মা ইলিশ ধরায় বাঁধা দেওয়ায় পুলিশ ও মৎস্য অভিযান টিমের উপর হামলা

অক্টোবর ০৬ ২০১৭, ২২:০২

লালমোহন প্রতিনিধিঃ ভোলার লালমোহনের তেঁতুলিয়া নদীতে মা ইলিশ ধরা বাঁধা দেওয়ায় সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা ও পুলিশের ২টি ট্রলারে হামলা চালিয়েছে সংঘবদ্ধ জেলেরা। শুক্রবার বিকেলে বদরপুর ইউনিয়নের দেবিরচর সংলগ্ন চর রোজিনা এলাকায় ৮টি ট্রলার নিয়ে একদল উগ্র জেলে এ হামলার ঘটনা ঘটায়।

খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শামছুল আরিফ, অফিসার ইনচার্জ হুমায়ুন কবীর, ইউপি চেয়ারম্যান ফরিদ উদ্দিন, মৎস্য কর্মকর্তা অনিক রহমানসহ কোস্ট গার্ড ও পুলিশোর যৌথ টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে হামলাকারীদের প্রতিরোধ করে।

এসময় আটক করা হয় ৫ জেলেকে। উদ্ধার করা হয় ২টি মাছ ধরা নৌকা ও ৫০ হাজার মিটার জাল। জব্দকৃত জালে ঘাটেই অগ্নিসংযোগ করা হয়।
উপজেলা সহকারী মৎস্য অফিসার রুহুল কুদ্দুস জানান, তিনি নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে লালমোহন থানা পুলিশসহ শুক্রবার দুপুর থেকে তেঁতুলিয়া নদীতে নামেন।

নদীতে নেমে কয়েকটি মাছ ধরা ইঞ্জিন চালিত নৌকা দেখতে পান। দুপুর ২টার দিকে দেবীরচর এলাকায়

মাছ ধরা নৌকাগুলোকে ধাওয়া করেন তারা। এসময় ওই নৌকাগুলো চরের মধ্যে ডুকে যায়। জেলেদের নৌকা ধরা হয়েছে এমন খবর শুনে দেবীরচর ঘাট থেকে আরো ৭/৮টি ট্রলারযোগে সংঘবদ্ধ জেলেরা মাছ ধরা টেঁটা, লাঠিসোঠা ও ইটপাটকেল নিয়ে পুলিশ ও সহকারী মৎস্য কর্মকর্তার ট্রলারের দিকে অগ্রসর হয়।

হামলাকারীরা একটি ট্রলারের দুই স্টাফকে মারধরও করে। ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ ফরিদ উদ্দিন জানান, হামলার খবর পেয়ে আরেকটি ট্রলার নিয়ে নদীতে নেমে আমি পরিস্থিতি শান্ত করেছি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শামছুল আরিফ জানান, পুলিশ ও মৎস্য অফিসের অভিযানের ট্রলারে আক্রমণের খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।

এসময় ৫জনকে আটক করে ছায়েদ নামে ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নের এক জেলেকে দুই বছর কারাদন্ড এবং দেবীরচরের রিয়াজ, মনির, নুর হোসেন ও শহিদুল নামে আরো ৪ জেলেকে ২ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছি। যারা হামলা চালিয়েছে তাদের ধরতে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রাখবে।

 

Facebook Comments

<a href=”http://barisallive24.com/wp-content/uploads/2017/05/infra-add.jpg” target=”_blank” rel=”noopener”><img src=”http://barisallive24.com/wp-content/uploads/2017/05/Hoopers1.jpg” width=”331″ height=”270″ /></a>