মুলাদীর বিভিন্ন স্থানে ঝাটকা ইলিশের রমরমা ব্যবসা

মার্চ ৩১ ২০১৭, ২০:৫৫

মুলাদী প্রতিনিধি
মুলাদী উপজেলার জয়ন্তী, আড়িয়াল খা, ছৈলা নদীতে অবৈধ ভাবে ধরা হচ্ছে ইলিশ মাছের ঝাটকা বিক্রি করছে জেলে ও মাছ ব্যবসায়ীরা। মুলাদীর মৃধার হাট, আকনবাজার, চরধলেশ্বর নতুন হাট, ষোলঘর, কায়েতমারা বেপারীর হাট, সোনামদ্দিন বন্দর, বোয়ালিয়া বাজার রামচর বাজার, গলইভাংগা, নাজিরপুর, বানিমর্দন, জয়বাংলা বাজার, নদীপাড়, কুতুবপুর বাজার, মুলাদীর বেইলী ব্রীজ, নন্দির বাজার পাইতি খোলা সহ বিভিন্ন স্থানে আইনের চোখকে ফাকি দিয়ে ইলিশের বাচ্চা ঝাটকা জেলেরা নদী থেকে কারেন্ট জাল সহ বিভিন্ন অবৈধ জাল দিয়ে ধরে বিক্রি করেছ।ইলিশের ঝাটকা অবৈধ ভাবে ধরা প্রতিরোধ না করলে অদুর ভবিষ্যতে আমাদের দেশ থেকে ইলিশ মাছ হারিয়ে যাবে। ইলিশ মাছ রক্ষার্থে ইলিশ মৌসুমের সময় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা দায় সাড়া ভাবে কোন রকম দায়িত্ব পালন করে পাড় পেয়ে যায়। তাতে আরও বেড়ে যায় অবৈধ ভাবে মাছ ধরা। শুধু তাই নয় মুলাদীর পাশ্ববর্তী হিজলা ও কাজিরহাট থানা এলাকা থেকে কিছু অসাধু মাছ ব্যবসায়ী মুলাদী উপজেলার বিভিন্ন স্থান দিয়ে একটি মহলকে ম্যানেজ করে ঝাটকা ইলিশের ব্যবসা করে আসছে। মুলাদীর মৃধারহাট নদী পথে আড়িয়াল খা নদী দিয়ে হিজলা কিছু মাছ ব্যবসায়ী ট্রলার যোগে মাদারীপুর ফরিদপুর সহ বিভিন্ন স্থানে ঝাটকা মাছের চালান পাটিয়ে রমরমা ব্যবসা করছে। এমনকি মুলাদী হিজলা ব্রীজ দিয়ে প্রতিনিয়ত

গভীর রাথে মটর সাইকেল যোগে লক্ষ লক্ষ টাকার অবৈধ ঝাটকা পাচার হচ্ছে। উপরে উল্লেখিত স্থানে অবৈধ ঝাটকা ইলিশ গুলো ফজরের নামাজের পরপর ও সন্ধ্যার পরে জেলে ও মাছ ব্যবসায়ীরা কি না বেচা করছে বলে জানা যায়। এব্যাপারে উধর্ক্ষতন মৎস্য অধিদপ্তর ও মৎস্য কর্মকর্তা যদি সু-দৃষ্টি দেন তা হলে অবৈধ ঝাটকার রমরমা ব্যবসা রোধ করা সম্বব হবে বলে অভিজ্ঞ মহল মনে করছেন। আর যদি অবৈধ ভাবে ধরা বিক্রয় বন্ধ না হয় তা হলে ভবিষ্যৎতে হারিয়ে ইলিশ প্রজনন। অবৈধ মাছ ধরা ও কেনা বেচার ব্যাপারে সাধারণ জনগনের পক্ষ থেকে কেউ যদি প্রতিবাদ করে তখন অসাধু জেলে ব্যবসায়ীরা বলেন এটা আপনাদের ব্যাপার না। এটা মৎস্য অফিসার ও পুলিশের ব্যাপার আপনাদের কি ? তাই মুলাদী উল্লেখিত স্থানে অবৈধ মাছ বিক্রিয় হয় সেই স্থানে প্রশাসনিক কর্মকর্তা দৃষ্টি আকর্ষন করছেন দেশের সম্পদ রক্ষার্থে সচেতন মহল। অন্য দিকে নাজিরপুর নৌ পুলিশ ফাড়ির দায়িত্বরত আই.সি উত্তম কুমার ও এ.এস.আই ইব্রাহিম এর নেতৃত্বে মুলাদী উপজেলার জয়ন্ত্রী আড়িয়াল খা ও ছৈলা নদীর বিভিন্ন স্থানে জেলেদের কাছ থেকে মাসোয়ারা নিয়ে অবৈধ ভাবে হাজার হাজার মন ঝাটকা ইলিশ নিধন করে ৪০/৫০ টাকা কেজি বাজারে বিক্রি করছে বিভিন্ন স্থানে প্রভাবশালীদের মাধ্যমে মাসোয়ারার টাকা গুলো উত্তোলন করছেন এ.এস আই ইব্রাহিম।

Facebook Comments

<a href=”http://barisallive24.com/wp-content/uploads/2017/05/infra-add.jpg” target=”_blank” rel=”noopener”><img src=”http://barisallive24.com/wp-content/uploads/2017/05/Hoopers1.jpg” width=”331″ height=”270″ /></a>