মোরা’র আঘাতমুক্ত বরিশাল অঞ্চল

বরিশাল ও পটুয়াখালীর উপকূলীয় জনপদে তেমন একটা প্রভাব পড়েনি ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’র। তবে কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর কিছুটা উত্তাল রয়েছে। সাগরে মাছ ধরা ট্রলারগুলো এখনও উপকূলবর্তী নিরাপদস্থানেই নোঙর করা।

তবে বরিশাল ও পটুয়াখালীর আকাশ মেঘাচ্ছন্ন রয়েছে। পাশাপাশি মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত হচ্ছে।

বরিশাল আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র পর্যবেক্ষক প্রণব কুমার রায় জানান, বরিশাল অঞ্চল মোরা’র আঘাতমুক্তই রয়েছে বলা চলে। বর্তমানে বরিশালের বিভিন্ন এলাকায় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি রয়েছে। সকাল থেকে এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ২৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস বয়ে গেছে বরিশালে।

কলাপাড়ার স্থানীয় বাসিন্দা জসিম পারভেজ জানান, বঙ্গোপসাগর উপকূলবর্তী এলাকা পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় সকাল থেকেই আকাশ রয়েছে মেঘাচ্ছন্ন, কোথাও কোথাও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হয়েছে।

উপকূলবর্তী রাঙাবালি উপজেলায় একই অবস্থা বিরাজ করলেও নদী কিছুটা উত্তাল রয়েছে বলে

জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী সিদ্দিকুর রহমান।

এদিকে সোমবার দুপুর থেকে বরিশাল, পটুয়াখালী ও ঝালকাঠিতে জেলা ও উপজেলায় প্রশাসন ঘূর্ণিঝড় মোরা কেন্দ্র করে জরুরি সভাসহ আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করে সাধারণ মানুষকে সেখানে নিয়ে আসার বন্দোবস্ত করে।

ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (সিপিপি) বরিশাল আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. আব্দুর রশীদ জানিয়েছেন তার আওতাধীন দশমিনা, কালাইয়া, গলাচিপা, রাঙাবালি, বরিশাল, মঠবাড়িয়াসহ বিভিন্ন জায়গায় ৩০ হাজারের মতো মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নেওয়ার খবর রয়েছে। পাশাপাশি বরিশাল অঞ্চলে সিপিপি’র ৬১৫০ জন স্বেচ্ছাসেবক আগে থেকেই প্রস্তুত রাখা হয়েছিলো, যাদের মাধ্যমে সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ড
পরিচালনা করা হয়।

অপরদিকে বরিশালে ২৩৬টি, ঝালকাঠিতে ৪৫টি ও পটুয়াখালীতে ৩৫১টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়। পাশাপাশি পটুয়াখালীতে ১১১টি, বরিশালে ১০২টি ও ঝালকাঠিতে ৩৭টি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়।

Facebook Comments

<a href=”http://barisallive24.com/wp-content/uploads/2017/05/infra-add.jpg” target=”_blank” rel=”noopener”><img src=”http://barisallive24.com/wp-content/uploads/2017/05/Hoopers1.jpg” width=”331″ height=”270″ /></a>