শিশু ফাতেমার ভাগ্য নির্ধারণ ৯ আগস্ট

জুলাই ২৫ ২০১৭, ২২:৪৮

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফেলে যাওয়া ৮-৯ মাসের কন্যাশিশু ফাতেমার ভাগ্য নির্ধারণ হবে আগামী ৯ আগস্ট।

মঙ্গলবার এদিন ধার্য করেন ঢাকার শিশু আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান।

এরমধ্যে শিশুটির প্রকৃত বাবা-মাকে খুঁজে বের করারও আদেশ দিয়েছেন আদালত।

ধার্যকৃত তারিখের মধ্যে শিশুটির প্রকৃত বাবা-মাকে পাওয়া না গেলে শিশুটিকে নেয়ার জন্য আবেদন করা ছয় দম্পতির মধ্যে যেকোনো এক দম্পতিকে বাছাইপূর্বক শিশুটির দায়িত্ব বুঝিয়ে দেয়া হতে পারে।
সংশ্লিষ্ট আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি সাহাবুদ্দিন মিয়া যুগান্তরকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

আদালত সূত্র জানায়, শিশু ফাতেমার ভরণ-পোষণের দায়িত্ব নেয়ার জন্য আদালতে ইতিমধ্যেই ছয় দম্পতি আবেদন করেছেন।

এরা হলেন- সেলিনা আক্তার, শ্যামলী আক্তার, লায়লা নূর, নিঝুম আক্তার, শাহনাজ বিনতে হান্নান ও দুলসাদ বেগম বিথি দম্পতি।

শিশুটির প্রকৃত ঠিকানা না পেলে এদের মধ্যে যাচাই-বাছাই করে আদালত শিশুটির দায়িত্ব কোনো এক দম্পতিকে

বুঝিয়ে দেবেন।

নথিপত্র পর্যালোচনা করে জানা গেছে, ৯ জুলাই বিজি-০০৮৫ বিমানে জর্ডান থেকে দুবাই হয়ে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসা একটি ফ্লাইটে স্বপ্না নামের এক যাত্রীর কোলে শিশু ফাতেমাকে রাখার অনুরোধ করেন তার মা।

শিশুটিকে কোলে নিয়ে স্বপ্না শিশুটির মায়ের সঙ্গে খোশ গল্প করতে থাকেন। রাত নয়টায় বিমানটি বিমানবন্দরে পৌঁছালে শিশুটির মা স্বপ্নাকে শিশুকে নিয়ে গোলচত্বরের ওভারব্রিজের কাছে দাঁড়াতে বলেন এবং তিনি কিছুক্ষণের মধ্যে বুকিংকৃত মালামাল গ্রহণ করে ওই স্থানে আসবেন বলে জানান।

পরে দুই-তিন ঘণ্টা অপেক্ষা করে স্বপ্না তার বাসায় শিশুটিকে নিয়ে যান। পরের দিন বিকাল ৩টার দিকে শিশুটিকে নিয়ে বিমানবন্দরের এপিবিএন পুলিশের কাছে আসেন।

পরে এ ব্যাপারে বিমানবন্দর থানায় জিডি করা হয় (জিডি নং ৪০৪)।

পরবর্তী সময়ে শিশুটিকে পুলিশের উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনে (ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার) পাঠানো হয়। বর্তমানে শিশুটি সেখানেই রয়েছে।

Facebook Comments

<a href=”http://barisallive24.com/wp-content/uploads/2017/05/infra-add.jpg” target=”_blank” rel=”noopener”><img src=”http://barisallive24.com/wp-content/uploads/2017/05/Hoopers1.jpg” width=”331″ height=”270″ /></a>