শেবাচিমের প্যাথলজি বিভাগ নিয়ন্ত্রনে সক্রিয় দালাল চক্র

মার্চ ০৯ ২০১৭, ১৯:৩৩

স্টাফ রিপোর্টার
বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালের প্যাথলজী বিভাগে র্দীঘ দিন ধরে দালাল নিয়ন্ত্রন করে যাচ্ছে টেকনোলজি মজিবর। প্রতিমাসে সরকার থেকে পাচ্ছে বেতন কিন্তু তার পর তার বেট ভরছেনা বলে তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও স্টাফদের। সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, প্রতিদিন দূরদুরান্ত থেকে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসে প্রায় ১ হাজার রোগী তার মধ্যে বেশি ভাগই হলো গরীব অসহায় পরিবার। বহি:বিভাগ ও অন্ত:বিভাগের ডাক্তার দেখানোর পরে রোগীদের রোগ নিধারন করার জন্য চিকিৎসকরা দিয়ে থাকে ব্লাডের বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা। পরীক্ষা গুলো দেওয়ার পরে রোগীরা কম খরচের জন্য হাসপাতালে প্যাথলজি বিভাগে পরীক্ষা গুলো করাতে যায়। কিন্তু টেকনোলজি মজিবর তার দালাল চক্র দিয়ে রোগীদের ভূল ভাল বুঝিয়ে নিয়ে যাচ্ছে বাহিরের ডায়গনষ্টিক সেন্টারে। প্রতিদিন সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত প্যাথলজি বিভাগের সামনে এবং রুমের ভিতরে দেখা যায় একটি দালাল চক্র। দালাল চক্রটি পরীক্ষা করার ক্যাস মেমো ছাড়াই শুধু ডাক্তার দেখানোর ওষুধের স্লিপ নিয়ে গিয়েই পরীক্ষা গুলো করাচ্ছে টেকনোলজি মজিবরের কাছে। এদিকে হাসপাতাল কতৃপক্ষের নেই কোন নজর। সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়ছেনা দালাল চক্রটি। শুধু তাই নয় বর্তমানের ইলেকট্রোলাইট পরীক্ষার মেশিনটি নষ্ট তার

পরেও রোগীদের কাছ থেকে ইলেকট্রোলাইট পরীক্ষার আছে বলে টেকনোলজি মজিবর রোগীদের কাছ থেকে ৮ শো টাকা করে নিয়ে বাহিরের ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে করিয়ে আনে। হাসপাতালে ইলেকট্রো লাইট পরীক্ষাটি হলো মাত্র ২৫০ টাকা। কিন্তু রোগীদের কাছ থেকে ৮ শো করে নিয়ে মজিবর তার কন্টাকে থাকা বাহিরের ডায়াগনষ্টিক থেকে করিয়ে আনে মাত্র ২ শো টাকায়। আর বাকি টাকা হাতিয়ে নেয় তিনি ও তার দালাল চক্রটি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক স্টাফ জানায়,প্রতিদিন হাসপাতালের প্যাথলজী বিভাগ থেকে প্রায় ১০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে দালাল চক্রের মূল হোতা মজিবর। বুধবার কাউনিয়া থেকে এক রিকসাচালকের স্ত্রী মেডিসিন বিভাগের ডাক্তার সুবল কুন্ডুকে দেখানোর পরে তিনি রোগীর রোগ নিধারন করার জন্য রোগীকে আরবি এস ও সি বিসি নামে দুইটা পরীক্ষা দেয় রোগীকে পরীক্ষা দুটো নিয়ে হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় প্যাথলজী বিভাগের সামনে গেলে এক দালাল তার কাছ থেকে ৫শত টাকা নিয়ে ভিতরে গিয়ে বলে হাসপাতালের পরীক্ষা বেশি একটা ভালো হয় না। কিন্তু আপনার পরীক্ষা দুইটা ভালো ভাবে করে দিবো তাই একটু বেশি টাকা নিলাম। এব্যাপারে হাসপাতালে পরিচালক সিরাজুল ইসলাম জানায়, প্রমান সহ তার বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Facebook Comments

<a href=”http://barisallive24.com/wp-content/uploads/2017/05/infra-add.jpg” target=”_blank” rel=”noopener”><img src=”http://barisallive24.com/wp-content/uploads/2017/05/Hoopers1.jpg” width=”331″ height=”270″ /></a>