১০০০ একরের খাল হয়ে গেল ৫৪ একর !

জুন ১৭ ২০১৭, ০১:২৯

কলাপাড়া প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর কলাপাড়ার ধানখালী ইউনিয়নের ছয় গ্রামের কৃষক এখন জীবিকা বিপর্যয়ের শঙ্কায় পড়েছেন। লোন্দা, ধানখালী, ছইলাবুনিয়া, পাঁচজুনিয়া, গিলাতলা, ফুলতলী গ্রামের অন্তত: দুই হাজার কৃষক পরিবার এমন দুর্বিপাকে পড়েছেন। প্রাকৃতিকভাবে গ্রামগুলোর মাঝখান দিয়ে বয়ে যাওয়া দীর্ঘ হাজার একর আয়তনের খালটিতে মাছ ধরে অগনিত মানুষ জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। কৃষিকাজসহ গেরস্থালি কাজে প্রতিদিন ব্যবহার করে আসছে খালের মিঠা পানি। খালটি ছিল উম্মুক্ত। কিন্তু হঠাৎ করে দেড় মাস আগে খালের বিভিন্ন স্পটে ইজারাদারের নিষেধাজ্ঞা সংবলিত সাইনবোর্ড দেখে দরিদ্র কৃষক শ্রেণির মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। কৃষকরা জানান, এই খালে বর্তমান ইজারাদার কোন মাছ চাষ করেন নি। খালে লাখ লাখ টাকার মাছ রয়েছে। কয়েক মাস আগে ১৯ মণ সাদা মাছের

পোনা সরকারিভাবে স্থানীয় এমপি মাহবুবুর রহমান অবমুক্ত করেছেন। ওই মাছ সরকার বিক্রির জন্য নিলাম দিলেও কয়েক লাখ টাকা পেত। এখন নামে মাত্র ৫৪ একর এলাকা দেখিয়ে খালটি লিজ দেয়া হয়েছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, দীর্ঘ খালটির পশ্চিম দিকে একটি সাইনবোর্ড লটকানো রয়েছে। যেখানে লেখা রয়েছে চালিতাবুনিয়া পক্ষিয়া মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিঃ এর পক্ষে হাফেজ প্যাদার বাঁধ হতে টুন্ডাখালির বাঁধ পর্যন্ত খাল ইজারা নেয়া হয়েছে। ইজারাদার মোঃ আখতারুজ্জামান। পরিচালনায় ফোরকান প্যাদা। বর্তমানে ওই খালের দুই পাড়ের কৃষকসহ সাধারণ দরিদ্র শ্রেণির মানুষের আয়ের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তারা প্রচন্ড ক্ষুব্দ রয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৫ জুন) এলাকার কৃষকসহ সাধারণ মানুষ সংবাদকর্মীদের কাছে তাদের এমন সর্বনাশা দুর্ভোগ লাঘবের বিষয়টি তুলে ধরে প্রতিকার চেয়েছেন।

Facebook Comments

<a href=”http://barisallive24.com/wp-content/uploads/2017/05/infra-add.jpg” target=”_blank” rel=”noopener”><img src=”http://barisallive24.com/wp-content/uploads/2017/05/Hoopers1.jpg” width=”331″ height=”270″ /></a>