বরিশাল, ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং। সর্বশেষ আপডেট: ১ মিনিট আগে
শিরোনাম

লাইভ ডেস্ক


চোখের আড়ালে গেলেন যাঁরা

জানুয়ারি ১, ২০১৮ ৩:৩১ অপরাহ্ণ
দিনে দিনে বর্ষ হলো গত। মহাকালের আবর্তন অনেক বদল ঘটিয়ে দিয়েছে ব্যক্তিজীবন থেকে শুরু করে সমাজ-রাষ্ট্র, পরিবেশ-প্রকৃতিতে। নতুন প্রাণের আগমন যেমন ঘটেছে, তেমনি অমোঘ নিয়তি বরণ করে অনেকে চলে গেছেন লোকচক্ষুর চির-অন্তরালে। তাঁদের অনেকেই স্মরণীয়-বরণীয়, অনেকে নিতান্তই আটপৌরে সাধারণ লোক। অনেকের ঘটেছে অকালপ্রয়াণ। সব মৃত্যুই শোকবহ, কারও শূন্যতাই কখনো পূরণ হয় না। তবু কিছু কিছু মানুষের কথা জনমানসের স্মৃতিতে থেকে যায় অম্লান। তেমন কিছু মানুষের কথাই থাকল এখানে।

জানুয়ারি

গত জানুয়ারিতে তাঁদের মধ্যে ছিলেন আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রদূত মোস্তফা ফারুক মোহাম্মদ। তিনি ইন্তেকাল করেন ৪ জানুয়ারি। সাবেক প্রধান বিচারপতি এম এম রুহুল আমিন মারা যান ১৭ জানুয়ারি। ঐতিহাসিক আগরতলা মামলার ২২তম আসামি এস এ সি মাহফুজুল বারী ইন্তেকাল করেন ২৩ জানুয়ারি।

বিখ্যাত গায়ক, গীতিকার ও সুরকার কুটি মনসুর না ফেরার জগতে চলে যান ২৪ জানুয়ারি। লোকজ গানের জগতে অন্যতম পুরোধা ব্যক্তি কুটি মনসুর ১৯২৬ সালে ফরিদপুরের চরভদ্রাসন থানার লোহারটেক গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। সত্তর ও আশির দশকে তিনি জনপ্রিয়তার তুঙ্গে ছিলেন। দীর্ঘ ৬০ বছরের সংগীতজীবনে কুটি মনসুর পল্লিগীতি, আধুনিক, জারি-সারি, পালাগান, পুঁথিপাঠ, ভাটিয়ালি, মুর্শিদি, মারফতি, আধ্যাত্মিক, দেহতত্ত্ব, ইসলামি, হামদ-নাত মিলিয়ে প্রায় ৮ হাজার গান লিখেছেন। তাঁর জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে আছে ‘আইলাম আর গেলাম’, ‘যৌবন জোয়ার একবার আসে রে’, ‘আমি কি তোর আপন ছিলাম না রে জরিনা’, ‘কে বলে মানুষ মরে’, ‘হিংসা আর নিন্দা ছাড়ো’, ‘সাদা কাপড় পরলে কিন্তু মনটা সাদা হয় না’ ইত্যাদি।

সাবেক সংস্থাপন প্রতিমন্ত্রী এম নুরুল হুদা ২৫ জানুয়ারি এবং মাসের শেষ দিন ইন্তেকাল করেন দুটি খেতাব পাওয়া বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন আফতাব আলী (বীর উত্তম ও বীরপ্রতীক)।

ফেব্রুয়ারি

দেশের প্রথম সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য, প্রাজ্ঞ সাংসদ ও আওয়ামী লীগের নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত পরলোকে গমন করেন ৫ ফেব্রুয়ারি। তাঁর রাজনৈতিক জীবন ছিল বর্ণাঢ্য। ১৯৪৫ সালের ৫ মে সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার আনোয়ারাপুর গ্রামে তাঁর জন্ম। তিনি মোট সাতবার জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। প্রথমবার ১৯৭০ সালে ন্যাপ থেকে, এরপর ১৯৭৩ সালে একতা পার্টি, ১৯৭৯ সালে গণতন্ত্রী পার্টি এবং ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮ ও ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচিত হন। তিনি মুক্তিযুদ্ধেও অংশ নেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর সংবিধান প্রণয়ন কমিটির অন্যতম সদস্য ছিলেন। তা ছাড়া পঞ্চদশ সংশোধনী আনতে গঠিত কমিটির কো-চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পালন করেন তিনি।

মার্চ

সাবেক পররাষ্ট্রসচিব ও বিশিষ্ট শিল্প সমালোচক মিজারুল কায়েসকে আমরা হারিয়েছি ১১ মার্চ। সর্বশেষ তিনি ব্রাজিলে রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালন করছিলেন। সেখানেই একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

বিশিষ্ট ঔপন্যাসিক ও শিশু সাহিত্যিক অধ্যাপক জুবাইদা গুলশান আরা ইন্তেকাল করেন ১৯ মার্চ। সাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি ২০০৫ সালে একুশে পদক পান। উপন্যাস, কবিতা, গল্প ও নাটক, শিশুসাহিত্যসহ সাহিত্যের নানা শাখায় সফল বিচরণ ছিল তাঁর। প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা অর্ধশতাধিক। তিনি ছিলেন বাংলাদেশ লেখিকা সংঘের ভাইস চেয়ারম্যান। জাতীয় মহিলা সংস্থা, এশিয়াটিক সোসাইটি, বাংলা একাডেমি, পেন বাংলাদেশ, ঢাকা লেডিস ক্লাব, মহিলা সমিতিরও সদস্য ছিলেন তিনি। তিনি নারীদের অগ্রগতি এবং নারী জাগরণের পক্ষে কাজ করেছেন।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এম আবদুর রকীব ইন্তেকাল করেন ১৯ মার্চ।

২৭ মার্চ চিরবিদায় নেন বিশিষ্ট চলচ্চিত্র অভিনেতা মিজু আহমেদ। ১৯৭৮ সালে তৃষ্ণা চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি অভিনেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। পরে তিনি ঢালিউড চলচ্চিত্র শিল্পে অন্যতম সেরা একজন খলনায়ক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। বড় পর্দায় তাঁর প্রায় ৮০০ ছবি মুক্তি পেয়েছে। ১৯৯২ সালে সেরা অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান।

এপ্রিল

লেখক, কবি, সাংবাদিক সাযযাদ কাদির ৭০ বছর বয়সে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন ৬ এপ্রিল। কবিতা, উপন্যাস, নাটক, প্রবন্ধ-গবেষণা, শিশুতোষ, সম্পাদনা, সংকলন, অনুবাদসহ বিভিন্ন বিষয়ে ৬০টির বেশি গ্রন্থ রচনা করেছেন।

একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পাওয়া কবি ও কথাসাহিত্যিক শান্তনু কায়সার হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান ১১ এপ্রিল। অধ্যাপনা ও লেখালেখিই করেছেন তিনি। বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ৪৫টি।

‘সুরের বরপুত্র’ প্রখ্যাত গীতিকার, সুরকার, সংগীত পরিচালক ও গায়ক লাকী আখন্দ দীর্ঘদিন ফুসফুসের ক্যানসারে ভুগে ২১ এপ্রিল শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। ১৯৮৪ সালে তাঁর প্রথম একক অ্যালবাম বের হয়। ওই অ্যালবামের ‘এই নীল মণিহার’, ‘আমায় ডেকো না’, ‘রীতিনীতি জানি না’, ‘মামনিয়া’, ‘আগে যদি জানতাম’ গানগুলো শ্রোতাদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে। ছোট ভাই হ্যাপি আখন্দকে নিয়ে সৃষ্টি করেন বিখ্যাত গান ‘আবার এল যে সন্ধ্যা’। তাঁর সুর করা জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে ‘কবিতা পড়ার প্রহর এসেছে’, ‘যেখানে সীমান্ত তোমার’ ইত্যাদি।

২৯ এপ্রিল চিরবিদায় নিয়েছেন স্থপতি, আবৃত্তিশিল্পী ও সংগঠক কাজী আরিফ। তিনি ছিলেন বাংলাদেশ আবৃত্তিশিল্পী সমন্বয় পরিষদের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা।

মে

ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) চেয়ারম্যান শেখ শওকত হোসেন ইন্তেকাল করেন ৬ মে।

সাবেক পররাষ্ট্রসচিব, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও সুলেখক ফারুক আহমদ চৌধুরী প্রয়াত হন ১৭ মে। তিনি অনেক ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির ভাষা ও আচরণ কেমন হওয়া উচিত, তা নির্ধারণে তাঁর রয়েছে বিশেষ ভূমিকা। তিনি দেখেছেন ভারতবর্ষ থেকে পাকিস্তানের জন্ম, এর ভাঙন এবং নতুন দেশ হিসেবে বাংলাদেশের উত্থান। এসব অভিজ্ঞাতা তিনি লিখে গেছেন আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ জীবনের বালুকাবেলায়। এ ছাড়া তাঁর প্রকাশিত বইয়ের মধ্যে রয়েছে দেশ দেশান্তর, প্রিয় ফারজানা, নানাক্ষণ নানাকথা, স্বদেশ স্বকাল স্বজন, সময়ের আবর্তে ইত্যাদি। সাহিত্যকর্মের জন্য বাংলা একাডেমি পুরস্কারসহ বেশ কিছু পুরস্কার পেয়েছেন তিনি।

বিশিষ্ট ভাস্কর সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদ স্মরণীয় হয়ে আছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সামেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক তাঁর অনন্য ভাস্কর্য ‘অপরাজেয় বাংলা’র জন্য। এ ছাড়া বাংলাদেশ টেলিভিশন কেন্দ্রের সামনের ম্যুরাল ‘আবহমান বাংলা’ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনের টেরাকোটাও তাঁর করা। তাঁর কাজের মধ্যে রয়েছে ‘অঙ্কুর’, ‘অঙ্গীকা’, ‘ডলফিন’ এবং ‘মা ও শিশু’। এ বছরই তিনি একুশে পদক পেয়েছিলেন। শিল্পী চিরনিদ্রায় গেছেন ২০ মে।

এ ছাড়া ২১ মে ইন্তেকাল করেন রাজনীতিক ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সভাপতি শফিউল আলম প্রধান।

জুন

সাবেক প্রধান বিচারপতি ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বিচারপতি লতিফুর রহমান ৮১ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন ৬ জুন। তিনি ২০০১ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন।

সংগীতজ্ঞ অধ্যাপক করুণাময় গোস্বামী পরলোকগমন করেন জুনের শেষ দিনে। বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। সংগীত কোষ গ্রন্থের জন্য তিনি স্মরণীয়। এ ছাড়া বাংলা গানের বিবর্তন, বাংলা গান স্বরলিপি-ইতিহাস, বাংলা কাব্যগীতির ধারায় কাজী নজরুল ইসলামের স্থান সংগীতবিষয়ক বিভিন্ন গ্রন্থ রচনা করেছেন। একুশে পদক, বাংলা একাডেমি পুরস্কারসহ বিভিন্ন পদক পেয়েছেন।

এই একই দিনে সুইডেনপ্রবাসী বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা, ‘মামা গেরিলা বাহিনী’র প্রধান সৈয়দ শহীদুল হক মামা না ফেরার দেশে চলে যান। রণাঙ্গনের ২ নম্বর সেক্টরের মেলাঘর ইউনিটে তিনি যুদ্ধ করেন। যুদ্ধাপরাধী কাদের মোল্লার মামলার অন্যতম সাক্ষী ছিলেন তিনি।

জুলাই

বিশিষ্ট চিকিৎসক ও প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এম এ মাজেদ ইন্তেকাল করেন ৮ জুলাই। তিনি বিএমএর সভাপতিরও দায়িত্ব পালন করেছেন।

মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য গঠিত আন্তার্জতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি আনোয়ারুল হক ইন্তেকাল করেন ১৩ জুলাই। ২৮ জুলাই ইন্তেকাল করেন বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধে ৯ নম্বর সেক্টরের সুন্দরবন সাব-সেক্টর কমান্ডার মেজর (অব.) জিয়াউদ্দিন আহমেদ।

আগস্ট

বিশিষ্ট শিল্পপতি, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক মন্ত্রী হারুনার রশিদ খান মুন্নু²ইন্তেকাল করেন ১ আগস্ট।

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা, ‘নায়করাজ’ হিসেবে খ্যাত রাজ্জাক ইন্তেকাল করেন ২১ আগস্ট। তিনি চলচ্চিত্র পরিচালনা ও প্রযোজনাও করেছেন। জহির রায়হানের বেহুলা দিয়ে ঢাকায় তাঁর রুপালি পর্দায় আবির্ভাব। উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র: এতটুকু আশা, নীল আকাশের নিচে, জীবন থেকে নেয়া, নাচের পুতুল, পিচঢালা পথ, আবির্ভাব, দীপ নেভে নাই, টাকা আনা পাই, রংবাজ, আলোর মিছিল, অশিক্ষিত, ছুটির ঘণ্টা, চন্দ্রনাথ, শুভদা, রাজলক্ষ্মী শ্রীকান্ত। বাংলা ও উর্দু মিলিয়ে প্রায় তিন শতাধিক। সর্বশেষ চলচ্চিত্র: কার্তুজ (২০১৪)। সেরা অভিনেতা হিসেবে পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার ২০১৪ (আজীবন সম্মাননা), বাচসাস পুরস্কার ২০০৯সহ (আজীবন সম্মাননা) বিভিন্ন পুরস্কার পেয়েছেন তিনি।

ভূতত্ত্ববিদ ও বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তরের (জিএসবি) সাবেক মহাপরিচালক এম এ জাহের ইন্তেকাল করেন ২৭ আগস্ট।

 ৩০ আগস্ট ইন্তেকাল করেন সুগায়ক আবদুল জব্বার। মুক্তিযোদ্ধা এই শিল্পী স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্রের কণ্ঠশিল্পী ছিলেন। তাঁর অত্যন্ত জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে ‘সালাম সালাম হাজার সালাম’, ‘ও রে নীল দরিয়া,’ ‘তুমি কি দেখেছ কভু’ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

সেপ্টেম্বর

মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক সালেহ চৌধুরী ১ সেপ্টেম্বর এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ ফজলী হোসেন ১০ সেপ্টেম্বর ইন্তেকাল করেন।

বিশিষ্ট প্রকৃতিবিদ, অধ্যাপক লেখক ও অনুবাদক দ্বিজেন শর্মা পরলোকগমন করেন ১৫ সেপ্টেম্বর। প্রকৃতি-পরিবেশ বিষয়ক লেখালেখির জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। শ্যামলী নিসর্গ, ডারউইন ও প্রজাতির উৎপত্তি, গহন কোন বনের ধারে, ফুলগুলো যেন কথা তাঁর উল্লেখযোগ্য বই। তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার ও একুশে পদকে ভূষিত হয়েছিলেন।

অক্টোবর

একাত্তরের ক্র্যাক প্লাটুনের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মাসুদ সাদেক চুল্লু ইন্তেকাল করেছেন ১৬ অক্টোবর।

ইতালীয় বংশোদ্ভূত বাংলাদেশের সম্মানসূচক নাগরিক ও মুক্তিযোদ্ধা ফাদার মারিনো রিগন ২১ অক্টোবর পৃথিবীর মায়া কাটিয়েছেন। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী এম কে আনোয়ার চলে গছেন ২৪ অক্টোবর।

নভেম্বর

সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুর রহমান বিশ্বাস ৩ নভেম্বর, চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত দৈনিক পূর্বকোণ পত্রিকার সম্পাদক স্থপতি তসলিম উদ্দিন চৌধুরী ১৫ নভেম্বর, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌র চতুর্থ ছেলে, ভাষাসংগ্রামী ও গবেষক এ জে এম তকীয়ুল্লাহ ১৬ নভেম্বর, জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ও বিএনপির নেতা আখতার হামিদ সিদ্দিকি ১৯ নভেম্বর ইন্তেকাল করেন।

খ্যাতিমান সংগীতশিল্পী ও বিখ্যাত বংশীবাদক বারী সিদ্দিকী মারা যান ২৪ নভেম্বর। তাঁর জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে আছে ‘শুয়াচান পাখি’, ‘পুবালি বাতাসে’, ‘আমার গায়ে যত দুঃখ’, ‘রজনী’ ইত্যাদি।

একুশে পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট নৃত্যশিল্পী রাহিজা খানম ঝুনু মারা যান ২৬ নভেম্বর।

৩০ নভেম্বর ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হকের মৃত্যু সবাইকে শোকাভিভূত করে। একসময়ের জনপ্রিয় টিভি উপস্থাপক ও সফল ব্যবসায়ী আনিসুল হক মেয়র হিসেবে তাঁর স্বল্পকালের দায়িত্ব পালনেও সফল হয়েছিলেন।

ডিসেম্বর

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগের নেতা এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী ১৫ ডিসেম্বর এবং এর পরদিন ইন্তেকাল করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী ছায়েদুল হক।

Facebook Comments

পাঠকের মতামত:

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য
TECHNOLOGY: SPIDYSOFT IT GROUP