বরিশাল, ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং। সর্বশেষ আপডেট: ২ মিনিট আগে
শিরোনাম

বরিশাল লাইভ ডেস্ক


মেসি-রোনালদোকে ছাড়িয়ে রামোস-মার্সেলো

জানুয়ারি ১৩, ২০১৮ ৯:২৮ পূর্বাহ্ণ

উয়েফার বর্ষসেরা টিমে সারা বিশ্বের ভোটে মেসি ও রোনালদোকে টপকে সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছেন রামোস। প্রায় ৫৯ হাজার। তার ভোটের পরিমাণ ৭৩ .৭ শতাংশ।

রামোসের পরেই ভোটপ্রান্তিতে স্থান মার্সেলো। ৭০ শতাংশ ভোট পান তিনি। মেসি পেয়েছেন ৫৯ .৮ শতাংশ। ৫৫ শতাংশ রোনালদো। রামোস-মার্সেলোর ভোট পাওয়ার পাশে বড় ব্যাপার, টিমে সুযোগ পাননি নেইমার।

পুরো টিম রয়েছেন: জিয়ানলুকা বুফোঁ, দানি আলভেস, রামোস, কিয়েল্লিনি, মার্সেলো, কেভিন দে ব্রুইনি, টনি ক্রুস, লুকা মদরিচ, ইডেন হ্যাজার্ড, লিওনেল মেসি ও রোনালদো। ৪-৪-২ পদ্বতিতে টিম সাজানো হয়েছে। প্রায় ৮০ লাখ ভোটার অনলাইনে ভোট দিয়েছেন।

উয়েফার একাদশে রিয়াল মাদ্রিদের ৫ জন আছেন। দানি আলভেস পেয়েছেন ৪২ .৭ শতাংশ ভোট। ৪১ .৮ শতাংশ ভোট পান বুঁফো। ২০১৪ সালের পরে ইপিএলের দুই তারকা টিমে এলেন। এরা দে ব্রুইনি ও হ্যাজার্ড।

২০১৪ সালে শেষবার উয়েফার টিমে ছিলেন ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের দি মারিয়া। দে ব্রুইনি ভোট পান ৫২ শতাংশ। কিন্ত্ত হ্যাজার্ড মাত্র ৩৮ শতাংশ।

এদিকে , রেফারির ভুলেই হয়তো ৩১ বছর পরে বিশ্বকাপের মূলপর্বে খেলা হল না নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের। বিশ্বকাপের সেই প্লে-অফ ম্যাচের রেফারি অভিডিউ হাতেগান স্বীকার করেছেন, সে দিন মারাত্নক ভুল তিনি করেছেন। শাস্তিও পেয়েছেন হাতেনাতে।

রাশিয়ার বিশ্বকাপে ৩৬জন রেফারির তালিকায় নেই রোমানিয়ার এই রেফারি। এখন আশায় যদি, ভিডিয়ো রেফারি হিসেবে সুযোগ পান।

প্লে অফে প্রথম লেগে সুইজারল্যান্ড পেনাল্টি গোলে জিতেছিল। যত গণ্ডগোল এই পেনাল্টি নিয়ে। নর্দান আয়ারল্যান্ডের ফুটবলার কোরি ইভান্সের হাতে লাগার জন্য রেফারি পেনাল্টি দিয়েছিলেন। কিন্ত্ত পরে দেখা গেছে , বল লেগেছিল ইভান্সের কাঁধে। সে দিনের ভুল স্বীকার করে হাতেগান বলছেন, চরম ভুলটা আমিই করেছি। আমার রেফারিং জীবনেও বড় ভুল। সেই পেনাল্টি থেকে গোল করেছিলেন সুইজারল্যান্ডের ফুটবলার রদ্রোগেজ। ম্যাচের ৫৮ মিনিটে। দ্বিতীয় লেগের ম্যাচ গোলশূন্য হওয়ায় সুইজারল্যান্ড পৌঁছে গেছেছে মূলপর্বে। ওই পেনাল্টি গোল না হলে হয়তো আইরিশরা একটা সুযোগ পেতেন। বিশ্বকাপে পেনাল্টি কেলেঙ্কারি।

Facebook Comments

পাঠকের মতামত:

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য
TECHNOLOGY: SPIDYSOFT IT GROUP