বরিশাল, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং। সর্বশেষ আপডেট: ৩ মিনিট আগে
শিরোনাম

লাইভ ডেস্ক


সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে চান প্রধানমন্ত্রীর চাচি

জানুয়ারি ২৭, ২০১৮ ১১:৫০ পূর্বাহ্ণ
কদমতলা নূরানী মোড়ে গতকাল পথসভায় বক্তব্য দেন শেখ এ্যানি রহমান l প্রথম আলো
পিরোজপুর-১ আসনে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে প্রচারণা শুরু করেছেন প্রধানমন্ত্রীর চাচি শেখ এ্যানি রহমান। গতকাল শুক্রবার সদর উপজেলায় এক পথসভায় অংশ নিয়ে তিনি আগামী সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ইঙ্গিত দেন।

শেখ এ্যানির স্বামী শেখ হাফিজুর রহমান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আপন চাচাতো ভাই। আর এ্যানির বাবা এনায়েত হোসেন খান ছিলেন পিরোজপুর-১ আসনের সাংসদ এবং জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি।
সদর, নাজিরপুর ও নেছারাবাদ উপজেলা নিয়ে পিরোজপুর-১ আসন। শেখ এ্যানি রহমান গতকাল বিকেলে সদর উপজেলার কদমতলা নূরানী মোড়ে অনুষ্ঠিত পথসভায় বক্তব্য দেন। পথসভায় তিনি এলাকাবাসীর উদ্দেশে বলেন, ‘আমি আপনাদের দেখতে এসেছি। আমার বাবা প্রয়াত এনায়েত হোসেন খান এখানে সাংসদ ছিলেন। আমি বাবার অসমাপ্ত কাজগুলো শেষ করতে চাই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতায় আমি পিরোজপুরে আরও উন্নয়ন করতে চাই।’
কদমতলা ইউনিয়ন প্রবীণ সমিতির সভাপতি শিবনারায়ণ দাস পথসভায় সভাপতিত্ব করেন। বক্তব্য দেন জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি লিটন সিকদার, সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক সহসভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।
এর আগে গতকাল দুপুরে শেখ এ্যানি রহমান টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মাজার জিয়ারত করেন। এরপর তিনি প্রায় অর্ধশত মাইক্রোবাস নিয়ে পিরোজপুরের উদ্দেশে রওনা হন। বিকেল চারটার দিকে নাজিরপুরের মাটিভাঙ্গা এলাকায় সহস্রাধিক মোটরসাইকেলে কয়েক হাজার সমর্থক তাঁকে স্বাগত জানান। সেখান থেকে ২৮ কিলোমিটার পথ মোটর শোভাযাত্রা করে পিরোজপুর শহরে পৌঁছান শেখ এ্যানি।
শেখ এ্যানি এই আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে আগে থেকেই নানা তৎপরতা শুরু করেছেন। তাঁর সমর্থকেরা সম্প্রতি পিরোজপুর সদরের শীতার্ত মানুষের মধ্যে কয়েক হাজার কম্বল বিতরণ করেছেন।
শেখ এ্যানি রহমান  বলেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে এসেছি। তাঁর সম্মতি নিয়ে পিরোজপুরের উন্নয়নের জন্য কাজ করতে এসেছি।’

Facebook Comments

পাঠকের মতামত:

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য
TECHNOLOGY: SPIDYSOFT IT GROUP