বরিশাল, ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং। সর্বশেষ আপডেট: ৮ ঘন্টা আগে
শিরোনাম

বরিশাল লাইভ ডেস্ক


ভালোবাসা দিবসে ঘুরতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরল এসএসসি পরীক্ষার্থী

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০১৮ ১১:২৬ অপরাহ্ণ

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার পাগলায় ভালবাসা দিবসে ঘুরতে গিয়ে বুড়িগঙ্গায় ডুবে লাশ হয়ে ফিরল রকিবুল ইসলাম শান্ত (১৮) নামের এক এসএসসি পরীক্ষার্থী। আজ বিকেলে একটি ট্রলারে চড়ে বুড়িগঙ্গা নদী পার হতে গিয়ে ট্রলার থেকে পড়ে গিয়ে নিখোঁজ ছিল শান্ত। পরে পাগলা কোস্টগার্ড স্টেশনের ডুবুরি দল তল্লাশি চালিয়ে সন্ধ্যা ৬টায় শান্ত’র লাশ উদ্ধার করে।

এছাড়া কেরানীগঞ্জ নৌ পুলিশ শান্তর ৪ বন্ধুকে আটক করেছে। আটককৃতদের মধ্যে ৩জন শান্তর সহপাঠী ও এসএসসি পরীক্ষার্থী। শান্তর লাশ ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
নিহত শান্ত পাগলায় নয়ামাটি এলাকার মিলন ডাক্তারের বাড়ির ভাড়াটিয়া শফিকুল ইসলাম রতনের ছেলে। শান্ত এবছর পাগলা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছিল।

আটককৃতরা হলো- ফতুল্লার পাগলা নয়ামাটি এলাকার আবুল বাশারের ছেলে এসএসসি পরিক্ষার্থী রুবেল, একই এলাকার হাকিম হাওলাদারের ছেলে এসএসসি পরিক্ষার্থী সজিব, আমির হোসেনের ছেলে এসএসসি পরিক্ষার্থী মেহেদী হাসান শুভ ও একই এলাকার মোখলেছের ছেলে ওয়ার্কশপের শ্রমিক রাব্বি।

আটককৃতদের বরাত দিয়ে কেরানীগঞ্জ নৌ পুলিশ ফাঁড়ির এসআই ফরহাদ আলম জানান, শান্ত তার চার বন্ধুর সঙ্গে ফতুল্লার পাগলাস্থ বাড়ি থেকে বুড়িগঙ্গা নদী পার হয়ে কেরানীগঞ্জের পানগাও এলাকায় ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে ঘুরতে যায়। সেখানে আনন্দ ফুর্তি শেষে বাড়ি ফেরার পথে একটি ট্রলারে বিকেল সাড়ে ৪টায় বুড়িগঙ্গা নদী পাড় হওয়ার সময় মাঝ নদীতে শান্ত ট্রলার থেকে পড়ে পানিতে ডুবে যায়। তবে নিহতের মায়ের অভিযোগে ৪ জনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত চলছে এবং ময়না তদন্ত রিপোর্টে মৃত্যুর প্রকৃত কারন জানা যাবে।

শান্তর মা আসমা বেগম বলেন, শান্তকে পরিকল্পিত ভাবে নদীতে ধাক্কা দিয়ে পানিতে ফেলে হত্যা করেছে তার বন্ধুরা। আমি এর বিচার চাই।

এদিকে বিকেলে বুড়িগঙ্গায় এসএসসি পরীক্ষার্থী নিখোঁজের খবর পেয়ে কোস্টগার্ড পাগলা স্টেশনের কর্মকর্তা মাসুদ রানার নেতৃত্বে একটি টিম ঘটনাস্থলে এসে তল্লাশি চালিয়ে সন্ধ্যা ৬টার দিকে শান্তর লাশ উদ্ধার করে।

Facebook Comments

পাঠকের মতামত:

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য
TECHNOLOGY: SPIDYSOFT IT GROUP