পাথরঘাটায় গ্রামবাসীর গণধোলাইয়ে ডাকাত নিহত পাথরঘাটায় গ্রামবাসীর গণধোলাইয়ে ডাকাত নিহত - For update barisal news visit barisallive24.com
বরিশাল, ১৮ই জুলাই, ২০১৮ ইং। সর্বশেষ আপডেট: ৩ ঘন্টা আগে
শিরোনাম

বরিশাল লাইভ ডেস্ক


পাথরঘাটায় গ্রামবাসীর গণধোলাইয়ে ডাকাত নিহত

মার্চ ১২, ২০১৮ ১১:০৭ অপরাহ্ণ

পাথরঘাটা উপজেলায় গণধোলাইয়ে মো. বেলাল হোসেন (৪০) নামে এক জনের মৃত্যু হয়েছে। আজ রাত সোয়া ৮টার দিকে পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়।

এর আগে আজ সোমবার বিকেলে উপজেলার কালমেঘা ইউনিয়নের দক্ষিণ কুপধন গ্রামে ওই ডাকাত বেলালকে আটক করে রশি দিয়ে বেঁধে গণধোলাই দেয় গ্রামবাসী। পরে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে বেলালকে উদ্ধার করে পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হলে কিছুক্ষণ পরই কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত্যু ঘোষণা করেন। বেলাল হোসেন কালমেঘা ইউনিয়নের দক্ষিণ কুপদোন গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে।

পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত চিকিৎসক আনোয়ার উল্লাহ বলেন, হাসপাতালে আসার ২০ মিনিটের মধ্যেই সে মারা যায়। বেলালের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় গুরুতর আঘাত থাকায় মৃত্যু হয় তার।

পাথরঘাটা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা মো. খবীর আহম্মেদ বলেন, গণধোলাইয়ের খবর শুনে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয়। মরদেহ সুরতহাল করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে। তিনি আরও বলেন, কালমেঘার গণ ডাকাতি মামলার জেল হাজতে থাকা আসামি জসিম উদ্দিনের ১৬৪ ধারায় নিহত বেলাল ডাকাতির সাথে জড়িত বলে জবানবন্দি দেয়। তার বিরুদ্ধে একাধিক ডাকাতি মামলা রয়েছে বলেও তিনি জানান।

এর আগে চলতি বছরের ৬ জানুয়ারি উপজেলার কালমেঘা ইউনিয়নে একই রাতে ৩ বাড়ির লোকজনদের হাত-পা বেঁধে ডাকাতি করে সংগঠিত ডাকাত দল। ওই মামলায় গ্রেফতারকৃত আসামি মো. জসিম বর্তমানে জেল হাজতে রয়েছে। ঘটনার পর থেকে নিহত মো. বেলাল পলাতক ছিল।

পাঠকের মতামত:

[wpdevart_facebook_comment facebook_app_id="322584541559673" curent_url="" order_type="social" title_text="" title_text_color="#000000" title_text_font_size="22" title_text_font_famely="monospace" title_text_position="left" width="100%" bg_color="#d4d4d4" animation_effect="random" count_of_comments="3" ]
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য
TECHNOLOGY: SPIDYSOFT IT GROUP