নগরীতে হুপার্সের উদ্যোগে গাড়ির হেডলাইটের রঙ করে দেয়া হচ্ছে সরকারি নিয়মমাফিক

আপডেট : July, 17, 2017, 11:27 pm

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সরকারি নিয়ম মোতাবেক প্রতিটি গাড়ীর সামনের হেড লাইট ২ ইঞ্চি করে কালো সেড দিয়ে রাখতে হয়। যাতে লাইট জ্বালানোর পর বিপরীত পাশ থেকে আশা ব্যাক্তির চোখে সরাসরি লাইটের আলো না পরে। কিন্তু বর্তমানে দেখা যাচ্ছে অধিকাংশ গাড়ীর মালিকই এ নিয়ম মানে না । তাই যে সকল গাড়ীর হেড লাইট রং করা নাই। সেকল গাড়ীকে হেড লাইটে নিয়ম মাফিক রং করে দেয়ার কার্যক্রম গ্রহন করেছে কিছু উদ্যমী তরুন। আর এই কার্যক্রম বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সহযোগীতা করছে মিউজিক ক্যাফে রেস্টুরেন্ট হুপার্স এর স্বত্তাধিকারী আবু মাসুম ফয়সাল। দুদিন ব্যাপী এই কার্যক্রমে নগরীর গুরুত্বপূর্ন স্থানে থেকে হেডলাইটে রংবিহীন গাড়ি গুলোকে রং করে দিবে তারা। যাতে ঐ সকল গাড়ি বিভিন্ন দূর্ঘটনা থেকে রক্ষা পায়। তাই রোববার সকাল ১০ টায় নগরীর জিলা স্কুল মোড়ে দুদিন ব্যাপী এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার আবুল কালাম আজাদ। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) উত্তম কুমার পাল, কোতয়ালী মডেল থানার সিনিয়র সহকারী কমিশনার মো. আসাদুজ্জামান, হুপার্স এর স্বত্তাধিকারী আবু মাসুম ফয়সাল, কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) আতাউর রহমান, ট্রাফিক

ওসি শাহ আলম সহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ। এছাড়াও এই কার্যক্রমে আরো সহযোগীতা করেন বিশ্বিবদ্যালয় ও কলেজ শিক্ষার্থী শান্ত, প্রসেনজিৎ, আলামিন,শাহাদাত, শাকিল, মাসুদ রানা প্রমুখ। আর এই ভিন্নধর্মী উদ্যোগের আহবায়ক কাইয়ুম হোসেন জানান, রাতের বেলা যখন যানবাহন গুলো রংবিহীন হেডলাইট জ্বালিয়ে চলে। তখন ঐ যানবাহনের বিপরীত পাশ থেকে যারা চলাচল করে তারা ঐ যানবাহনের আলোতে চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। আর ফলে প্রতিনিয়ত ঘটছে নানা দূর্ঘটনা। আর এই দূর্ঘটনা থেকে রেহাই পেতে এই ভিন্নধর্মী উদ্যোগটি গ্রহন করা হয়েছে। আর এই কাজে সর্বাত্মক সহযোগীতা করেছেন রেস্টুরেন্ট হুপার্স এর স্বত্তাধিকারী আবু মাসুম ফয়সাল। তার এই সহযোগীতার ফলে এই কাজটি সম্পন্ন হয়েছে। তিনি আরো বলেন, রবিবার নগরীর জিলা স্কুলের মোড় ও জেলখানার মোড়ে সকাল দুপুর দেড়টা পর্যন্ত এই কার্যক্রম পরিচালিত হয় । আর এই কার্যক্রমে মেট্রোপলিটান পুলিশের ট্রাফিক বিভাগও বেশ সহযোগীতা করেছে। এছাড়া দুদিনব্যাপী এই কার্যক্রমের আজ শেষ দিনে রুপাতলী ও নতুল্লাবাদ এলাাকায় এই ভিন্নধর্মী কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এদিকে উদ্যমী তরু দের কার্যক্রমকে সাধুবাদ জানিয়েছে অনেকই। তারা বলেন, তাদের এই সামাজিক উদ্যোগ আসলেই প্রশংসনীয়। এর ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখলে দেশ আরো উন্নত হবে।

Facebook Comments