হিজলায় মাদকে সয়লাব ॥পুলিশের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ

আপডেট : March, 19, 2017, 8:48 pm

 

হিজলা প্রতিনিধিঃহিজলা উপজেলার সর্বত্র মাদকে সয়লাব। পুলিশের ভূমিকা নিয় প্রশ্ন তুলছেন সমাজপতিরা। সম্প্রতি হিজলা উপজেলায় বিভিন্ণস্থানে মাদক বিক্রি-মাদকসেবি সর্বপরি মাদক পরিবহনকারীদেও নিয়ে পুলিশের ভূমিকা লক্ষ্যকরা গেছে। যা সমাজের জন্য প্রকিার হিসাবে দেখলেও এর অভ্যন্তরে মাদক বাণিজ্যে পুলিশের সহযোহিতার প্রশ্নতুলছেন কেউ কেউ। প্রত্যন্ত অঞ্চল হিজলা। এটিকে নিরাপরাধ রুট হিসাবে ব্যবহারকছে মাধকসেবি,মাদক কিক্রেতা ও মাদক ব্যবসায়ীরা। এর প্রত্যেকটি স্পট পুলিশের নজরদারি থাকলেও সেটিতে লাভর আশায় হানা দিচ্ছেনা তারা। এদের এক একটি গ্রুপের সাথে পুলিশের রয়েছে সখ্যতা। নামকাওয়াস্থে দু”একজনকে পাকরাও করলেও মুল হোতারা রয়েছে পুলিশের হাতের মুঠোয়। এদের কাছ থেকে মাসের পর মাসহারা পাচ্ছেন পুলিশের কর্তাবাবুরা। উপজেলা সদরের প্রাণকেন্দ্র টেকেরবাজার। এখানেও মাদক বিক্রিহচ্ছে পুলিশ সহায়তায়। সর্বশেষ ১৭ মার্চ হিজলার মাদক স¤্রাট জন্টু সরদার এর দোষর দু’জনকে ধওে হিজলা থানার এসআই সুজিত। পরক্ষনে তাদেও নিয়ে যাওয়া হয় হিজলা থানায়। একদিন আটক রাখার পর দেনদরবার শেষে ছাড়া পায় দুজন। জন্টু ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে মাদক নিয়ে রয়েছে নানা কথোপকথোন। স্ত্রী, কণ্যা, পুত্রসহ পরিবারের সকল সদস্য মাদকের ব্যবসায় নিয়োজিত। স্থানীয় ভাবে এর রয়েছে একটি গ্রুপ। ঐ গ্রুপে রয়েছে দল আর দলীয় লোকজনের ভাগ। সন্ধ্যার পরে মাদকের আড্ডা

বসে বাউশিয়াতে : সন্ধ্যা নামলেই মাদকের আড্ডা বসে বাউশিয়াতে। বাউশিয়ার প্রবেশদ্বার বাহেরচর সংলগ্ন ব্রীজে বসে মাদকের হাট। একে নিয়ন্ত্রস করেন জন্টু সরদার, জাকির হোসেন হালান, বাচ্চু হাওলাদারসহ একাধিক দলীয় কর্মী। এদের রয়েছে ক্ষূদ্র ক্ষূদ্র বাহিনী। সংকেত আর টাকা হলেই ১২-১৫ বছরের একশ্রেনীর যুবক চলেযান আবডালে। তাদেও সাথে দেন দরবার শেষে পুটলি অথবা বাবা নিয়ে চলে যান তারা। নদীর পারে পুলিশের হানা : দিন কয়েক পরে পরে পুলিশ হানা দেয় বাচ্চু হাওলাদারের বাড়িরর পার্শ্বে নদীর ধারে। এখানেও চলে গাজা আর বাবার আসর। গভীর রাত পর্যন্ত চলে এ আসর। এখান থেকেই পুলিশ গাজারু, বাবার নেশাখোর আটক কওে আবার ছেড়েও দেন। নিজাম পুত্র ও জাকির হোসেন হালান পুত্রকে এখানথেকে পুলিশ আটক করলেও বাকিরা পালাতে সমক্ষম হন। তিন স-মিলে হচ্ছেটা কি : বাউশিয়ার প্রবেশদ্বারে তিন তিনটি স-মিল। এখানে সারারাত চলে জুয়া,বাবা আর গাজার আসর। একে রুখবার কেউ নেই। মাদক সেবি ও মাদক বিক্রেতাকে ছাড়ানোর বিষয় এসআই সুজিত জানান-ওদের বয়স কম তাই ছেড়ে দেয়া হয়েছে। কেন একরাত থানায় আটক রাখা হলো- এমন প্রশ্নে জানান কিছুতো দায়িত্বকর্তব্য রয়েছে তাই। তবে তারা ঐ গ্রুপচিকে নজরে রেখেছেন বলে জানান।

 

Facebook Comments