বরিশালে কম দামে পাওয়া যাবে ইন্টারনেট–সুবিধা

আপডেট : March, 1, 2017, 12:51 pm

‘সাবমেরিন কেব্ল কোম্পানির দ্বিতীয় প্রকল্প চালু হয়ে গেলে বরিশালসহ বাংলাদেশের মানুষ কম মূল্যে ইন্টারনেট-সুবিধা পাবে। এখান থেকে উৎপাদিত ব্যান্ড উইথ রপ্তানি করেও দেশ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে।’
গত বুধবার সকালে পর্যটনকেন্দ্র কুয়াকাটাসংলগ্ন গোড়া আমখোলাপাড়া গ্রামে নির্মিত দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন কেব্ল কোম্পানির নির্মাণকাজ এবং স্থাপিত যন্ত্রাংশসহ সার্বিক কর্মকাণ্ড পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম উপরিউক্ত কথা বলেন।
এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মহিলা সাংসদ হোসনেয়ারা বেগম লুৎফা, বাংলাদেশ সাবমেরিন কেব্ল কোম্পানির (বিএসসিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মনোয়ার হোসেন, বিটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহফুজ উদ্দিন আহমেদ, টেলিফোন শিল্প সংস্থার (টেশিস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. কবির হাসান এবং সাবমেরিন কেবল কোম্পানির প্রকল্প পরিচালক পারভেজ মনন আশরাফ প্রমুখ।
প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম এ সময় আরও বলেন, সাবমেরিন কেবলে বাংলাদেশ যুক্ত হতে যে কর্মযজ্ঞ হয়েছে তা বিটিসিএল, বিএসসিসিএল ও টেশিস যৌথভাবে করেছে। টেশিস আজ প্রথমবারের মতো একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। সরকারি প্রতিষ্ঠান লাভজনক হলে সরকার

লাভবান হয়, জনগণ সেবা পায়। ইন্টারন্যাশনাল টেরিস্ট্রিয়াল কেবলের (আইটিসি) চেয়ে সাবমেরিন কেব্ল কোম্পানির উৎপাদিত ব্যান্ড উইথের গুণগত মান ভালো হবে বলে প্রতিমন্ত্রী আশা করেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘ইতিমধ্যে সাবমেরিন কেব্ল স্টেশন থেকে সঞ্চালন লাইনের কাজ ঢাকা পর্যন্ত শতভাগ নিশ্চিত করা হয়েছে। এ সঞ্চালন লাইন সঠিকভাবে কাজ করছে। ট্রান্সমিশন খরচ কম হওয়ায় বরিশাল, পটুয়াখালী, খুলনা ও ফরিদপুর এলাকায় স্বল্পমূল্যে ইন্টারনেট-সেবা দেওয়া যাবে। এখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে গিয়ে আমি আবেদন জানাব, তিনি যেন ১৫ মার্চের মধ্যে দ্বিতীয় এ ল্যান্ডিং স্টেশনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।’ পরে তারানা হালিম সাবমেরিন কেব্ল স্টেশনের নির্মাণকাজসহ অন্যান্য কর্মকাণ্ড পরিদর্শন করেন।
প্রায় ৬৬০ কোটি টাকা ব্যয়ে এটি নির্মিত হচ্ছে। প্রকল্পটিতে বাংলাদেশ সরকার ১৬৬ কোটি টাকা ও বিএসসিসিএল ১৪২ কোটি টাকা ব্যয় করবে। ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংক প্রকল্পের বাকি প্রায় ৩৫২ কোটি টাকার ঋণসহায়তা দেবে। কুয়াকাটাসংলগ্ন গোড়া আমখোলাপাড়া গ্রামে ১০ একর জমির ওপর ল্যান্ডিং স্টেশনের মূল ভবনসহ ফাংশনাল বিল্ডিংয়ের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

Facebook Comments