বাবুগঞ্জের সুগন্ধ্যা-সন্ধ্যা নদী থেকে বালু উত্তোলন হুমকির মুখে ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন যাদুঘর

আপডেট : March, 4, 2017, 2:14 pm

বাবুগঞ্জ প্রতিনিধি ॥
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার  রহিমগঞ্জে বীরশ্রেষ্ট ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের বাড়ির পাশ দিয়ে বয়ে গেছে সন্ধ্যা নদী। নদী ভাঙ্গনে হুমকির মধ্যে রয়েছে  রহিমগঞ্জ লঞ্চ ঘাট ও মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর স্মৃতি যাদুঘর পাঠাগার। পানি উন্নয়ন র্বোড ভাঙ্গন রক্ষার্থে নদী রক্ষাবাধ নিমার্ন করলেও অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারনে নদী রক্ষাবাধে ফাটলের সৃষ্টি হয়েছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে রহিমগঞ্জ, রাজগুরু ও ক্ষুদ্রকাঠী নামক এলাকার  সুগন্ধ্যা ও সন্ধ্যা নদীর তীর থেকে অবৈধভাবে বালু তুলে বিক্রি করছে এক শ্রেনী অসাধু ব্যবসায়ীরা।তাদের এ কাজে সহযোগীতা করছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রভাবশালী নেতাকর্মীসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা।বাবুগঞ্জ উপজেলার প্রশাসনের নাকের ডগায় প্রকাশ্যে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু তোলা হচ্ছে।এলাকাবাসী জানান একটি চক্র দিনের পর দিন এভাবে বালু উত্তোলন করে নিলেও দেখার কেউ নেই।বছরের পর বছর প্রশাসনের সঙ্গে সখ্য গড়ে অবৈধভাবে  বালু বিক্রি করে পকেট ভারি করছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। উপজেলা প্রশাসন ও থানা থেকে মাত্র আধা কিলোমিটার দুরেই

এ অবস্থা চলছে। স্থানীয়রা জানান কেদারপুর ্ইউপি চেয়ারম্যান নুরেআলম বেপারী,মোঃ আবক্ষাস উদ্দিন ঘরামী ,মোয়াজ্জেম নামে কতিপয় ব্যক্তি দীর্ঘ দিন ধরে ওই নদী থেকে বালু উওোলন করে বিক্রি করছে।বালু উত্তোলন  কারনে বাড়ি,মসজিদ,কাচাঁ-পাকা সড়কসহ বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। রহিমগঞ্জ গ্রামে ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন স্মৃতি যাদুঘর রক্ষার্থে পানি উন্নয়ন র্বোড ৩০ লাখ টাকা ব্যয় রক্ষা বাধ নিমার্ন করেন।ওই রক্ষা বার্ধের পাশে ড্রেজার বসিয়ে চলছে বালু উত্তোলন।এ ব্যাপারে বালু উত্তোলন কারী ইউপি চেয়ারম্যান নুরেআলম বেপারীর সাথে মুঠোফোটে আলাপ কালে তিনি এ প্রতিনিধিকে বলেন জেলা প্রশাসক থেকে বালুমহল লিজ নিয়ে নদী থেকে বালু তোলা হচ্ছে।রহিমগঞ্জ যাদুঘর ও লঞ্জঘাট রক্ষার্থে পানি উন্নয়ন বোর্ড সন্ধ্যা নদীতে রক্ষাবাধ দিয়েছে। জেলা প্রশাসক নদী ভাঙ্গন রক্ষা বাধ এলাকাকে বালুমহল হিসাবে লিজ দিয়েছে কিনা জানতে চাইলে চেয়ারম্যান বিষয়টি এড়িয়ে যান। এলাকাবাসীর দাবি বালুমহল লিজ নেয়া নামে নদী রক্ষাবাধের এলাকা থেকে বালু উত্তোলন বন্ধ করার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছে।

Facebook Comments