ভোলার মানিকায় কিশোরীকে ধর্ষণ করতে গিয়ে জনতার হাতে গনধোলাই

আপডেট : March, 5, 2017, 8:07 pm

ভোলা প্রতিনিধি
ভোলার বড় মানিকা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডে এক কিশোরীকে ধর্ষণ করতে গিয়ে জনতার হাতে ধরা পরে গনপিটুনির শিকার হয়েছে এক যুবক। ওই এলাকার আবদুস সাত্তার হাওলাদারের মেয়ে ধর্ষিতা শাহানাজ আক্তার সাংবাদিকদের ক্যামারার সামনে জানায় বড় মানিকা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের হানিফ রাড়ির বখাটে ছেলে মামুন দীর্ঘ দিন যাবত তাকে দৈহিক মিলনের জন্য কু-প্রস্থাব দিত। শাহানাজ এ প্রস্থাবে রাজি না হওয়াতে বখাটে মামুন তাকে বাড়ী থেকে তুলে নিয়ে যাবার বিভিন্ন হুমকি দিয়ে উত্যোক্ত করত। এ বিষয়টি শাহানাজের পরিবার এলাকার গন্যমান্যদের একাধিকবার জানলেও বখাটে মামুনের অত্যাচার হতে মুক্তি পায়নি শাহানাজ। গত ১৬ ফেব্র“য়ারী ২০১৭ সন্ধ্যার পর শাহানাজের বাবা মা তাকে একা ঘরে রেখে জরুরী কাজে অন্যত্র গেলে প্রতিবেশী মামুন শাহানাজের ঘরে ঢুকে তাকে একা পয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোড় পূর্বক তাকে ধর্ষণ করে। এমতাবস্থায় শাহানাজের ডাক চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এসে মামুনকে হাতে নাতে ধরে গনপিটুনী দেয়। এখবর শুনে মামুনের দাদা তোফায়েল আহাম্মদ ও নানা শফিজল হক মার ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পরে তারা এলাকার গন্যমান্যদের সাথে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেয় যে আগামীদিন মামুনের সাথে সারমিনকে বিয়ে দেয়া হবে এবং তারা মামুনকে ঘটনাস্থল থেকে নিয়ে

যাওয়ার সময় সাদা কাগজে স্বাক্ষর দিয়ে যায়। কিন্তু ওই বাড়ী থেকে বেড় হওয়ার পরই মামুনের দাদা-নানা ও এলাকার একটি কু-চক্রি মহল মামুনকে বাঁচানোর জন্য বিভিন্ন সড়যন্ত্রের জাল বুনতে থাকে। ঘটনার পর দিন মামুনের সাথে শাহানাজের বিয়ে না হওয়াতে সারমিন ঘরের আড়ার সাথে আত্মহত্যা করার চেষ্টা চালায় পর তার মা টের পেয়ে  সারমিনের জীবন বাচাঁয়। পরবর্তিতে শারমিনের গার্ডজিয়ান এ বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যানের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। চেয়ারম্যান এ বিষয়টি আমলে নিয়ে সমাধানের জন্য কয়েকদফা তারিখ দিয়ে থাকলেও এখন পর্যন্ত কোন প্রকার ব্যবস্থা নেয়নি ধর্ষক মামুনের বিরুদ্ধে। অন্যদিকে এ বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হওয়াতে শাহানাজ লজ্জা সরমে কাউকে মুখ দেখাতে না পেরে ও ভবিষ্যৎ জীনব অন্ধকার মনে করে সে বার বার আত্মহত্যা করার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে। স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, চেয়ারম্যান ও এলাকার গন্যমান্যরা নগদ টাকার বিনিময়ে  ম্যানেজ হয়ে ধর্ষককে বাঁচাতে যে টাল-বাহানা করছে এতে ধর্ষিতা কোনদিনও বিচার পায়কিনা তার সন্দেহ রয়েছে। বর্তমানে শাহানাজকে তার গার্ডজিয়ানরা বাচাঁনোর জন্য চোঁখে চোঁখে রাখছে। যে কোন মুহুর্তে বড় ধরণের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। এ ব্যাপারে তদন্ত সাপেক্ষে প্রশাসনের উধর্ক্ষতন কর্তৃপক্ষের হস্থক্ষেপ কমনা করছে ধর্ষিতা শাহানাজের পরিবার।

Facebook Comments