ভোলায় দু:স্থ মুক্তিযোদ্ধাদের নামে বরাদ্দকৃত সরকারি ঘর কার নামে যাচ্ছে

আপডেট : March, 9, 2017, 7:54 pm

ভোলা প্রতিনিধি
প্রধানমন্ত্রী উপহার সরকার থেকে  দেওয়া  একটি করে পাকা বাড়ী যার নাম “বীর নিবাস”।  পাওয়রা কথা অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদ, দুস্থ, দারিদ্য, যুদ্ধা হাতদের । কিন্তু ভোলায় সেই দু:স্থ অসহায় মুক্তিযোদ্ধাদের বঞ্চিত করে দায়িত্ব প্রাপ্ত ব্যক্তিরা ধনাঢ্য ব্যক্তিদেরকেই গৃহ নির্মান করে দিচ্ছে। সরকারের সদিচ্ছা ভূ-লুষ্ঠিত হচ্ছে এমনি অভিযোগ করেছে ভোলার বিভিন্ন সংগঠন। বৃহস্পতিবার ( ৯মার্চ) সকালে ভোলা জেলা প্রশাসক কার্যলয়ের সামনে হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার ফোরাম , জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি,সুশাসনের জন্য নাগরিক( সুজন) এর ব্যানারে এক মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় বক্তারা এই অভিযোগ করেন। এসময় তারা অভিযোগ করে বলেন, উপজেলা প্রশাসনের দায়িত্ব প্রাপ্ত প্রশাসনকে ম্যানেজ করে ৬ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির সদস্যরা সঠিক ভাবে দুস্থ মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাচাই না করে নিজেদের স্বার্থ হাছিল করার জন্য ৮ লক্ষ টাকা মূল্যের ঘর নিজেদের করে নেয়। প্রকৃত অসহায় যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধারা রিকসা বা কষ্ট করে

তাদের জীবন পরিচালনা করতে হয়। তারা আরো বলেন প্রথম পর্বে ২৫ ঘর দেয়া হয়েছে। তার মধ্যে ধনাঢ্য ব্যক্তিরই নাম আছে ২০ জনের।  ২য় পর্বে  ভোলা সদরের১৬ জন নাম অন্তর্ভুক্ত হলে এর মধ্যে ১২ জনই সচ্ছল পরিবার। তাই এই তালিকা বাদ দিয়ে অসচ্ছল ,দু:স্থ অসহায় মুক্তিযোদ্ধাদের  নাম অস্তভুক্ত করার দাবী জানায় বক্তারা।  শুধু তাই নয় অসহায় মুক্তিযোদ্ধাদের নামে আসা ঘর প্রকৃত অসহায় দের মাঝে বুঝিয়ে দেয়ার দাবী জানান । পাশাপাশি এই ধরনের দুর্নীতির সাথে জড়িত ব্যাক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জোর দাবী জানান তারা। পরে জেলা প্রশাসক এর কাছে এক স্বারকলিপি প্রদান করা হয়। প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন- জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি হোসনেয়ারা চিনু,সাধারন সম্পাদক মোবাশ্বের উল্যাহ চৌধুরী,হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার্স ফোরাম সাধারন সম্পাদক মো: হোসেন,মুক্তিযোদ্ধাআব্দুল জব্বার, নারী নেত্রী বিলকিছ জাহান মুনমনু, হিন্দু-বৌদ্ধ ঐক্য পরিষদ এর আহবায়ক অবিনাষ নন্দি,আনম রিয়াজ উদ্দিন প্রমুখ।

Facebook Comments