[english_date], [bangla_day]

রাত পোহালেই রাঙ্গাবালীতে ভোট, ভোটারদের উৎসাহীত করছেন এসপি

আপডেট: June 17, 2019

নিউজ ডেক্সঃপটুয়াখালীর উপজেলা রাঙ্গাবালীতে পঞ্চমধাপে ১৮ জুন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

এ নির্বাচনকে অবাধ ও সুষ্ঠু করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন পুলিশ-প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন। কিন্তু তফসিল ঘোষণা ও নির্বাচনী প্রচারণার পর থেকে সরকার দলীয় প্রার্থীর পক্ষ থেকে নানা প্রপাগান্ডা বিস্তারসহ ভোটের মাঠে সাধারণ ভোটাদের মাঝে ভীতি ছড়ানোর চেষ্টা করা হয়।

যার ফলে চরাঞ্চলের সাধারণ মানুষের মনে অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট নিয়ে শংকা দেখা দেয়। মানুষের মনে একটাই প্রশ্ন ছিল – আমার ভোট আমি দিতে পারব তো?

মাঠ পর্যায়ে এমন অভিযোগ উঠলে জেলা প্রশাসন ও পুলিশের পক্ষ থেকে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হয়।

এদিকে ১৮ জুন নির্বাচন উপলক্ষে জেলা নির্বাচন অফিস, পুলিশ এবং সিভিল প্রশাসনের পক্ষ থেকে নানা পদক্ষেপ নেয় হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, র‌্যাব, পুলিশ, বিজিবি, কোস্টগার্ড এবং আনসার বাহিনী মোতায়ন করা হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় নির্বাচন সুষ্ঠু করার লক্ষ্যে আজ সোমবার পটুয়াখালীর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মইনুল হাসান নিজে রাঙ্গাবালী উপজেলায় এসে গ্রামীণ জনপদে সাধারণ মানুষের কাছে গিয়ে তাদের ভোট দিতে উৎসাহ দেন।

আজ সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ভোটারদের নিয়ে দফায় দফায় কয়েকটি মিটিং করতে দেখা গেছে এসপিকে। এসময় স্থানীয়রা জানান, প্রথমে ভাবছিলাম ভোট দিতে পারব না। কিন্তু যে পরিমান আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লোকজন এলাকায় আসছে তাতে ভোট নিয়ে কারচুপি করার সুযোগ দেখছি না। দীর্ঘদিন পরে এ উপজেলায় একটি সুষ্ঠু নির্বাচন হবে বলে আশা করছি।

এসময় এসপি মইনুল হাসান সাধারণ মানুষের উদ্দেশে বলেন, যোগযোগ বিচ্ছিন্ন এ এলাকায় ভোট নিয়ে আপনাদের মনে যে শঙ্কা দেখা দিয়েছে তা সম্পূর্ন ভুল। আগামীকাল রাঙ্গাবালী উপজেলা অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট অনুষ্ঠিত হবে। জনগনের দাবি অনুযায়ী এ উপজেলা থেকে বহিগরতা ইতিমধ্যে এলাকা ছাড়া করা হয়েছে। আশাকরি আগামীকাল আপনার পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবেন।

ভোট দিতে গিয়ে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হলে সে দায় নেবেন বলেও জানান মইনুল হাসান।

এদিকে জেলা নির্বাচন অফিসার ও জেলা রির্টানিং অফিসার মোঃ জিয়াউর রহমান খলিফা জানান, নির্বাচন সুষ্ঠু করার লক্ষে রাঙ্গাবালী উপজেলার ৩৬ ভোট কেন্দ্রে ১৮ জন ম্যাজিস্ট্রেট ও ১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়েছে। এছাড়াও ৬০০ পুলিশ, ৪ প্লাটুন র‌্যাব, ৬ প্লাটুন বিজিবি, ৩ প্লাটুন কোস্টগার্ড এবং ৪২৫ জন আনসার নিয়োগ করা হয়েছে।

এছাড়াও নির্বাচন কমিশন ১৫ জন নির্বাচন পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে বলে জানান জিয়াউর রহমান।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন