[english_date], [bangla_day]

ভোলায় ঘূর্নিঝড় ফণী মোকাবিলায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি

আপডেট: May 3, 2019

ভোলা: ভোলায় ঘূর্নিঝড় ফণী মোকাবিলায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। ঝড়টি মোকাবিলায় জেলার সাত উপজেলায় মাঠে রয়েছে ১৫ হাজার সেচ্ছাসেবী। যাদের মধ্যে সিপিপির ১০ হাজার ২০০ ও রেডক্রিসেন্টের দেড় হাজার। এসব কর্মীরা দুর্গম এলাকার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে আনার লক্ষে কাজ করছেন। এছাড়াও সরকারি, বেসরকারি বিভিন্ন সেচ্ছাসেবী সংগঠনের কর্মীরাও কাজ করছে।

এদিকে শুক্রবার (০৩ মে) দুপুরের মধ্য ভোলা উপকূলের ৫ লাখ মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে আনা হবে বলে জানিয়েছেন ভোলার জেলা প্রশাসক মাসুদ আলম ছিদ্দিক। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা শোষে তিনি এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, জেলার সাত উপজেলায় আশ্রয় কেন্দ্র রয়েছে ৬৫৭টি। যার মধ্যে ধারণ ক্ষমতা সাড়ে ৫ লাখ। আমরা আশা করছি ৫ লাখ মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে আনতে পারবো।

জেলা প্রসাসক বলেন, জেলার বিভিন্ন দুর্গম দ্বীপ চরের প্রায় সাড়ে ৩ হাজার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে আনা হয়েছে। যাদের আশ্রয় কেন্দ্রে স্থান হবে না তাদের মূল ভূখন্ডে নিয়ে আসা হবে।৭টিসহ মোট আটটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।

জেলার সাত উপজেলায় খোলা হয়েছে ৮ টি কন্ট্রোল রুম। সরকারি কর্মকর্তাদের ছুটি বাতিল। ৯২ টি মেডিকেল টিম গঠন। প্রতিবন্দীদের জন্য ৮০ সদস্যের আলাদা টিম গঠন। জেলা পুলিশ, নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ড, আনসার ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের প্রস্তুত রাখা হয়েছে। মাঠে কাজ করছে ১৫ হাজার সেচ্ছাসেবী কর্মী।

 

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন